Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
এম এম নারাভানে

যুদ্ধের আবহেই দু’দিনের সফরে লাদাখ যাচ্ছেন সেনাপ্রধান, খতিয়ে দেখবেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সোমবার ভারত ও চিনের ১১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকেও মেলেনি সমাধানসুত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২০, ০৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২০, ০৯:৩৫

options
link
যুদ্ধের আবহেই দু’দিনের সফরে লাদাখ যাচ্ছেন সেনাপ্রধান, খতিয়ে দেখবেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সীমান্তে ড্রাগনের হুঙ্কার। অহরহ যুদ্ধের ভ্রুকুটি। দুই দেশেই চলছে চূড়ান্ত যুদ্ধপ্রস্তুতি। এরই মধ্যে আজ লাদাখ যাচ্ছেন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে (MM Naravane)। দু’দিনের সফরে চিন সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন সেনাপ্রধান। কথা বলবেন লেহ এবং লাদাখের দায়িত্বে থাকা সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে। গালওয়ান সীমান্তের সংঘর্ষে আহত সেনা জওয়ানদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন জেনারেল নারাভানে। সীমান্তের পুরো পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে বৃহস্পতিবার দিল্লি ফিরবেন তিনি।

Indian-Army-China-Front

Advertisement

উল্লেখ্য, রবিবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) সঙ্গে বৈঠক করেছেন সেনাপ্রধান। প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিন সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধানকে। প্রয়োজনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারপরই জেনারেল নারাভানের এই লাদাখ যাত্রা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, আজ বিকেলেই তিনি লেহতে ১৪ নং কর্পের কম্যান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। চিনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর প্রক্রিয়ার কী অগ্রগতি, তা জানতে চাইবেন সেনাপ্রধান। পাশাপাশি আগামী দিনে লাদাখে কোন পথে এগবে সেনা, তারও দিশা নির্দেশ করবেন জেনারেল নারাভানে। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: সাতসকালে ফের সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ পুলওয়ামায়, নিকেশ ২ জেহাদি, শহিদ এক জওয়ান]

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন রাতে গালওয়ান (Gallowan) উপত্যকায় ভারত ও চিনা সেনার সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। আহত হন আরও ৭৬ জন। সেই সংঘর্ষে চিনেরও বহু সেনা হতাহত হয়েছে। যদিও বেজিং এখনও হতাহতের সঠিক সংখ্যা ঘোষণা করেনি। সেদিনের সংঘর্ষের পর থেকেই গোটা দেশ চিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে। দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ যুদ্ধ রবও উঠছে। তবে সরকার এখনও আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের পক্ষে। সোমবারও দুই দেশের মধ্যে অসামরিক স্তরে দীর্ঘ একটি বৈঠক হয়েছে। প্রায় ১১ ঘণ্টার বৈঠকের পরও কোনও সমাধানসুত্র বের করতে পারেননি দুই দেশের আধিকারিকরা। আজ ফের দু’দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা আছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.