সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতীয় ফৌজে তিন বছরের জন্য কাজ করতে পারবেন দেশের সাধারণ নাগরিকরা। এই মর্মে ইতিমধ্যেই ‘ট্যুর অফ ডিউটি’র পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় সেনা। খুব শীঘ্রই একটি প্রস্তাব উত্থাপন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘ইদে শর্তসাপেক্ষে জমায়েতের অনুমতি দিন’, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি কংগ্রেস নেতার]
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে বুধবার জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে সফরের পর জানা গিয়েছে তরুণরা সেনায় যোগ দিতে প্রবল আগ্রহী। তাঁরা একজন সৈনিকের জীবনের স্বাদ পেতে চায়। নারাভানে বলেন, “বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের অফিসাররা পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের আধিকারিকরা মনে করছেন, তরুণরা সৈনিকের জীবন কেমন হয় তা জানতে আগ্রহী। ক্যারিয়ার হিসেবে না হলেও, তাঁরা সেই অভিজ্ঞতা পেতে চায়। তাই আমরা মনে করছি তাঁদের একটা সুযোগ দেওয়া উচিত।” তিনি আরও বলেন,”ট্যুর অফ ডিউটি প্রকল্পে তিন বছরের জন্য সাধারণ মানুষকে কাজ করার সুযোগ দিলে সেনায় অনেক যুবক যোগ দেবে। পাশাপাশি, সমাজও সুশিক্ষিত ও শৃঙ্খলাপরায়ণ ব্যক্তি পেয়ে উপকৃত হবে।”
সেনা সূত্রে খবর, ট্যুর অফ ডিউটি প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ১০০ জন অফিসার ও ১ হাজার জওয়ানকে নিযুক্ত করা হবে। সেই মডেল সফল হলে ভবিষ্যতে আরও পদে তিন বছরের জন্য নিযুক্ত করা হবে। তিন বছরের মেয়াদ শেষে পেনশন না দিলেও, আধিকারিক বা জওয়ানদের কিছু থোক টাকা দেওয়া হবে। তবে, লড়াইয়ে শহিদ হলে একজন আম জওয়ানের মতো সমস্ত সুবিধাই পাবে মৃতের পরিবার। বিশ্লেষকদের মতে, ক্রমে বেড়ে চলা পেনশন-সহ অবসর পরবর্তী ভাতার বোঝা কমাতে চাইছে সেনা। তাই ইজরায়েলের মতো আম নাগরিককে ফৌজয়ে সাময়িকভাবে কাজের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। বলে রাখা ভাল। ইজরায়েলে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সমস্ত নাগরিককেই বাধ্যতামূলকভাবে সেনায় কিছুটা সময় কাজ করতে হয়।