সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামনেই ভোট গুজরাটে (Gujarat)। আর এই পরিস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দেখা গেল রাজ্যের এক সরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে। এরপরই তাঁকে প্রচ্ছন্ন খোঁচা মেরে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) টুইটারে লিখলেন, এটাই তাঁর ‘বড় প্রাপ্তি’।
ঠিক কী লিখেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, ‘আমি আজ খুব খুশি যে, দেশের সব দল ও নেতারা শিক্ষা ও স্কুল নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আশা করি, কেবল নির্বাচন সামনে এলেই শিক্ষার কথা বলা হবে, এমনটা হবে না। সব সরকার একসঙ্গে কাজ করলে পাঁচ বছরেই দেশের স্কুলগুলির উন্নতি হবে।’
मुझे बेहद ख़ुशी है कि आज देश की सभी पार्टियों और नेताओं को शिक्षा और स्कूलों की बात करनी पड़ रही है। ये हमारी सबसे बड़ी उपलब्धि है। मैं उम्मीद करता हूँ कि केवल चुनाव के दौरान शिक्षा याद ना आए। सभी सरकारें मिलकर महज़ 5 साल में सभी सरकारी स्कूलों को शानदार बना सकते हैं। pic.twitter.com/FJYSgM3HoW
— Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) October 19, 2022
[আরও পড়ুন: ভুয়ো কিউআর কোডে দেদার বিকোচ্ছে নিষিদ্ধ বাজি, বিক্রি রুখতে তৎপর পুলিশ]
সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্যার, আমরা দিল্লিতে শিক্ষাক্ষেত্রে দারুণ কাজ করেছি। পাঁচ বছরে দিল্লির সব ক’টি সরকারি স্কুলেরই অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। দেশের সব স্কুলেরই উন্নতি হতে পারে পাঁচ বছরের মধ্যে। আমাদের এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে। দয়া করে সেই অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ ভাবে কাজে লাগান। আসুন সকলে মিলে দেশের জন্য কাজ করি।’
গত বুধবারই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দেখা গিয়েছিল গান্ধীনগরের আদালজে মিশন স্কুল অফ এক্সেলেন্সে। সেখানে ক্লাসে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। এরপরই কেজরিওয়ালের এই পোস্ট। সরাসরি কিছু না বললেও, আপ সুপ্রিমোর পোস্টে রয়েছে প্রচ্ছন্ন কটাক্ষ। ভোটমুখী গুজরাটে প্রধানমন্ত্রীর স্কুল পরিদর্শন কেবল ভোটের কথা মাথায় রেখেই কিনা, সেই প্রশ্নই তুলে দিলেন তিনি, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পাশাপাশি দিল্লিতে যে শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে, সেই কথাও মনে করিয়ে দিলেন।
[আরও পড়ুন: শিরোধার্য আদালতের নির্দেশ, মাঝরাতে করুণাময়ী থেকে টেট বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিল পুলিশ]
প্রসঙ্গত, গুজরাট নির্বাচনে ভাল কিছু করতে মরিয়া আপ। ইতিমধ্যেই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে নিয়ে গুজরাটে এসে আসন্ন নির্বাচনের রণকৌশল তৈরি করতে দেখা গিয়েছে কেজরিওয়ালকে। সব মিলিয়ে নির্বাচনের ঠিক আগে জোরদকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটরঙ্গ।