সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত দু’দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মাদক (Drug) উদ্ধার করল NCB। এলএসডি’র ১৫ হাজার ব্লট উদ্ধার করল তারা। সেই সঙ্গেই দেশের বিভিন্ন শহর থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন পড়ুয়া। তদন্তে নেমে চমকে গিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, রীতিমতো ডার্ক ওয়েবের (Dark Web) মাধ্যমে চলত চোরাচালান। ব্যবহৃত হত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
কীভাবে চলত চালান? জানা গিয়েছে, এই ড্রাগ সিন্ডিকেট ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া মঞ্চকেও ব্যবহার করত। কোনও ইউজারকে হয়তো জিজ্ঞেস করা হল, সে মাদক চায় কিনা। আগ্রহ দেখালেই কথাবার্তা চালানো হত মেসেজিং অ্যাপ ‘উইকার মি’-তে। এরপর ক্রিপটোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন হওয়ার পর পোল্যান্ড অথবা নেদারল্যান্ডস থেকে খদ্দেরের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হত মাদক।
[আরও পড়ুন: ৭.২ শতাংশ নয়, ভারতের GDP বৃদ্ধির হার ৪ শতাংশেরও কম! কেন্দ্রের দাবি খণ্ডন স্বামীর]
চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জয়পুর থেকে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে জানিয়েছে, ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি ডার্ক ওয়েবেও বিজ্ঞাপন করা হত মাদকের। প্রসঙ্গত, ডার্ক নেট হল এমন এক গোপন ইন্টারনেট, যার মাধ্যমে মাদক ও পর্নোগ্রাফি চোরাচালানের পাশাপাশি নানা বেআইনি কাজ করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ৬ অভিযুক্তই ‘টেক স্যাভি’। তারা প্রাইভেট মেসেজিং অ্যাপ ও ডার্ক ওয়েবের ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত তা জানার চেষ্টা করছে এনসিবি।
[আরও পড়ুন: ভাগ্নে ক্রিকেট বল হাতে নেওয়ার ‘শাস্তি’, দলিত মামার আঙুল কাটল গ্রামবাসীরা!]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন