সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চার বছরের শাসনকালে প্রথমবারের জন্য অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হওয়ার আগে যথেষ্ট সতর্ক কেন্দ্রের মোদি সরকার৷ একদিকে দলীয় হুইপ জারি করে যেমন নিজেদের ঘরকে সংঘবদ্ধ রাখতে চাইছে বিরোধীরা৷ তেমনই, ভোটাভুটির আগে অভিনব কায়দায় নিজেদের সাংসদদের একসঙ্গে রাখার ব্যবস্থা করলেন মোদি-শাহ জুটি৷ সূত্রের খবর, নিজেদের ২৭৩ জন সাংসদের জন্য বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ ও ডিনারের ব্যবস্থা করেছে গেরুয়া শিবির৷ বিরোধীদের মতোই হুইপ জারি করে বলা হয়েছে সেখানে প্রত্যেক সাংসদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক৷
[আস্থা ভোটের আগে স্বস্তি কেন্দ্রের, বিজেপির পক্ষেই ভোট দেবে শিব সেনা]
নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাজধানীর বুকে শুরু হয়েছে নয়া জল্পনা৷ শোনা যাচ্ছে বিজেপি-র ছ’জন সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিরোধী শিবির৷ যে তালিকায় নাম রয়েছে শত্রুঘ্ন সিনহা, কীর্তি আজাদ, সাবিত্রী বাঈ ফুলে, অশোক ডোরে, ছোট্টে লাল ও রাজকুমার সাইনির৷ যদিও এই জল্পনাকে মানতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব৷ সাবিত্রী বাঈ ফুলেকে নিয়ে ধন্দ থাকলেও তাঁদের দৃঢ় ধারনা, বাকি পাঁচজন সাংসদ তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন এবং পদ্ম শিবিরেই তাঁরা ভোট দেবেন৷ ফলে লোকসভা নির্বাচনের আগেই আস্থা ভোটকে কেন্দ্র করে চড়তে শুরু করেছে রাজধানীর রাজনৈতিক পারদ৷
[মুহূর্তে ধ্বংস হবে শত্রুর মিসাইল, ভারতের হাতে আসছে অত্যাধুনিক জাহাজ ]
প্রসঙ্গত, বুধবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, টিডিপি, সপা-সহ মোট ১২টি বিরোধী দল। তবে, প্রথমে অনাস্থা প্রস্তাব আদৌ গ্রহণ করা হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও, পরে তা গ্রহণ করেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। তবে বিজেপির এই অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করার সিদ্ধান্তকে লোকসভার আগে মাস্টার স্ট্রোক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ তাঁদের যুক্তি, আস্থা ভোটে জয় নিশ্চিত এটা জানে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷ কিন্তু অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণে আদতে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা৷
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন