সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছবি হিট করছে। বিয়িং হিউম্যান টি-শার্টও বিকোচ্ছে দেদার। কিন্তু আদতে বছর ঘুরলেও একটি ডায়ালিসিস সেন্টারের কাজ সম্পূর্ণ করে উঠতে পারেনি সলমন খানের এনজিও বিয়িং হিউম্যান। তিতিবিরক্ত বৃহণ্মুম্বই পুরসভা এবার সংস্থার নামে শো-কজ নোটিস পাঠাল। ব্ল্যাকলিস্টেড করার সতর্কবার্তাও দেওয়া হল।
[ জনস্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি, ‘বিষ’ চানাচুর বন্ধে নির্দেশ হাই কোর্টের ]
২০১৬ সালে বেশ কিছু ডায়ালিসিস সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয় পুরসভা। প্রাইভেট-পাবলিক মডেল বা পিপিটি মডেলে এই সেন্টারগুলি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। সেইমতো বিয়িং হিউম্যান ফাউন্ডেশনেরও বান্দ্রা ওয়েস্টে একটি সেন্টার গড়ে তোলার কথা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী, জায়গা ও অন্যান্য অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল পুরসভার। ফাউন্ডেশনের কাজ ছিল মেশিনপত্র কিনে সেন্টারটিকে চালানো। পুরসভা দাবি, তাদের যে কাজগুলি করার কথা ছিল তা করা হয়েছে। কিন্তু সলমনের দিক থেকে কোনও পদক্ষেপ নেই। প্রায় এক বছর গড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ডায়ালিসিস সেন্টার স্বপ্নই হয়ে রয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সুপারস্টারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বৃহণ্মুম্বই পুরসভা। তাঁর এনজিও-র নামে পাঠানো হয়েছে শো-কজ নোটিস। পাশাপাশি সংস্থাটিকে কালো তালিকাভুক্ত করারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পুরসভার বক্তব্য, সংস্থা যে ব্ল্যাকলিস্টেড হতে পারে তা সম্ভবত সদস্যদের জানা।
[ পুরুষ সেজে জোড়া বিয়ে, পণ আদায়ে অভিনব প্রতারণার ছক তরুণীর ]
এদিকে জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য সুনাম রয়েছে সলমনের এনজিও-র। স্বয়ং সলমন খান তাঁর এনজিও নিয়ে ভীষণ প্যাশনেট। নিজে তার জন্য কাজ করেন, প্রচারও করেন। তাহলে কেন পুরসভার সঙ্গে চুক্তি করেও কাজে গাফিলতি? বিয়িং হিউম্যান ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরসভা যে অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়। চুক্তিতে ফাউন্ডেশনের কিছু আবশ্যিক শর্ত ছিল। তা নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। পুরসভার থেকেও কম খরচে ডায়ালিসিস পরিষেবা দিতে চেয়েছিল সংস্থা। কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতার জেরেই কাজ এগোয়নি বলে দাবি সংস্থার।
[ মাত্র ৪ সেকেন্ড! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ি ]