সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইন মেনে গ্রেপ্তার করা হয়নি আইসিআইসিআই ব্যাংকের প্রাক্তন সিইও ছন্দা কোচার ও তাঁর স্বামী দীপক কোচরকে। অবিলম্বে তাই তাঁদের মুক্তি দিতে হবে। সোমবার শুনানির পর এমনই নির্দেশ দিল বম্বে হাই কোর্ট।
হাই কোর্টে দম্পতির আইনজীবী দাবি করেন, দুর্নীতি দমন আইনের আওতায় ছন্দা ও দীপক কোচরের গ্রেপ্তার আইনসম্মত ভাবে করা হয়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য যে আইনি অনুমোদন বাধ্যতামূলক ছিল, তা পায়নি সিবিআই। তাহলে কেন ছন্দা (Chanda Kochhar) ও দীপক কোচরকে গ্রেপ্তার করা হল? কোন যুক্তিতে তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখা হল? এই শুনানিতেই বিচারপতি রেবতী মোহিতে ডেরে ও পিকে চাভানের বেঞ্চ বলে, তথ্য বলছে, আবেদনকারীদের (কোচরদের) গ্রেপ্তারি আইন মেনে হয়নি। তাই ৪১ (এ) সেকশন অনুযায়ী তাঁদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: বিষ্ণুপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, বাইকে বেসরকারি বাসের ধাক্কায় মৃত পুলিশ কর্মী]
গত বছর দুর্নীতি করে ভিডিওকন (Videocon) কর্তা বেণুগোপাল ধূতকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দেশের ‘মোস্ট সেলিব্রেটেড ব্যাংকার’ ছন্দার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে ভিডিওকন সংস্থাকে বিপুল অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দিয়েছেন তিনি। ICICI ব্যাংকের সিইও থাকাকালীন ভিডিওকনকে তিনি যে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছিলেন, সেটা ছিল বেআইনি। ওই ঋণ পাইয়ে দেওয়ায় ছন্দা এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা লাভবান হয়েছেন। সেই অভিযোগেই গত ২৪ ডিসেম্বর ছন্দা ও তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই।
গত সপ্তাহে ছেলের বিয়ের কারণ দেখিয়ে জামিন চেয়েছিলেন এই দম্পতি। কিন্তু বম্বে হাই কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, সেসব বিষয় নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। গ্রেপ্তারি বেআইনি কি না, শুধু সেই বিষয়টিই আলোচ্য। আর এদিনের শুনানির পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্বস্তি পেলেন ছন্দা ও দীপক কোচর।
[আরও পড়ুন: যোশিমঠ বাঁচাতে সপ্তাহভর যজ্ঞের আয়োজন, নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হল কিছু বাসিন্দাকে]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন