সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন নবগঠিত জিএসটি কাউন্সিলের সুপারিনটেনডেন্ট। সিবিআইয়ের জালে সুপার মণীশ মালহোত্রা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এক মিডলম্যানকেও গ্রেপ্তার করেছে। মণীশের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৭ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় আবগারি দপ্তরে থাকার সময় মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়েছিলেন মণীশ বলেই জানা যাচ্ছে।
[মহার্ঘ টম্যাটোর চাহিদা মেটাতে এবার খুলল ‘স্টেট ব্যাঙ্ক’!]
দেশ জুড়ে দ্রুত জিএসটি চালুর লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল পণ্য পরিষেবা কর পরিষদ বা জিএসটি কাউন্সিল। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে সেই কাউন্সিল কাজও শুরু করে দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির নেতৃত্বে সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত এই পরিষদই কাজটি করেছিল। নতুন সংস্থা গঠনের কয়েক মাস পর ধরা পড়লেন পরিষদের এক সুপারিনটেনডেন্ট। মণীশ মালহোত্রা নামের এই আধিকারিক আগে কেন্দ্রীয় আবগারি দপ্তরে চাকরি করতেন। অভিযোগ, সে সময়ই ঘুষ নিয়েছিলেন মণীশ। সেই ঘটনার তদন্তে মণীশের অফিসে সিবিআই হানা দেয়। অফিস থেকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা তদন্তকারী অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেন। ধৃতকে জেরা করে সিবিআই জানতে পেরে মানস পাত্র নামে এক দালালের থেকে ওই উৎকোচ নিয়েছিলেন মণীশ। সিবিআই মানসকেও গ্রেপ্তার করেছে।
[চাঁদা তুলে বাড়িতেই অনাথ আশ্রম ও হাসপাতাল গড়ে নজির ‘পদ্মশ্রী’ করিমুলের]
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে আবগারি দপ্তর কর্মরত থাকাকালীন মণীশ মোটা অঙ্কের বিনিময়ে কয়েকজনকে অন্যায় সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন। মণীশের নির্দেশে মানস পাত্র অন্যদের থেকে টাকা তুলতেন। সেই অর্থ মণীশের স্ত্রী এবং মেয়ের অ্যাকাউন্টে চলে যেত। মণীশের থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়রিও পেয়েছে সিবিআই। ওই ডায়রিতে থাকা কয়েকটি নাম সিবিআইয়ের কৌতুহল বাড়িয়েছে। সেই প্রভাবশালীদের প্রয়োজনে তলব করা হতে পারে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। পয়লা জুলাই দেশ জুড়ে জিএসটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই কাউন্সিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সেই সংস্থার উঁচু পদে থেকে মণীশ কারও থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।