সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেআইনি জুয়ার কারবারে দু-হাজার কোটিরও বেশি কামিয়েছেন। হাওয়ালার মাধ্যমে সেই টাকা বিদেশেও পাঠিয়ে দেন। এত করেও লাভ হল না। রবিবার সেই জালিয়াত ব্যবসায়ীকে দুবাই থেকে দেশে ফেরাল সিবিআই। মূল উদ্যোগ গুজরাট পুলিশের।
২০২৩ সালে গুজরাটের আমেদাবাদে একটি থানায় অভিযুক্ত দীপককুমার ধীরাজলাল ঠক্করের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, আর্থিক জালিয়াতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছিল। তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং বেআইনি জুয়া প্রতিরোধ আইনের আওতায় মামলা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও বিদেশে থাকায় আইনরক্ষকদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ইন্টারপোল, সিবিআই এবং গুজরাট পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেশে ফেরানো হল প্রতারক ব্যবসায়ীকে।
তদন্তকারী জানাচ্ছেন, ঠক্কর একটি সফটঅয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে বেআইনি জুয়া চক্রের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাচার করতেন। ওই জুয়া চক্র চালিয়ে ২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকার সম্পত্তি করেন ঠক্কর। দীর্ঘদিন যাবৎ তদন্ত চললেও অভিযুক্ত বিদেশে থাকায় তদন্তকারীরা তাঁকে হাতে পাচ্ছিলেন না। যদিও বাইরে থেকেই নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এই অবস্থায় অপরাধীকে দেশে ফেরাতে সিবিআইয়ের সাহায্য চায় পুলিশ। এর পর ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ঠক্করের বিরুদ্ধে ‘রেড কর্নার নোটিস’ জারি করে সিবিআই।
[আরও পড়ুন: আসনার দাপটে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস, গুজরাটে মৃত বেড়ে ৪৫]
এর ফলে সক্রিয় হয় ইন্টারপোল। খোঁজ শুরু হলে জানা যায়, দুবাইতে রয়েছেন দীপককুমার ধীরাজলাল ঠক্কর। এর পর গুজরাট পুলিশ দুবাইতে পৌঁছায়। রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর সকালে অভিযুক্তকে নিয়ে দেশে ফেরেছে তদন্তকারী দলটি।
[আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় দৌড়তে গিয়ে মৃত ৮! কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেনের সরকার]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন