সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে নিজেদের ভারতীয় বলে দাবি করল তুরস্কের সংস্থা সেলেবি অ্যাভিয়েশন। বুধবার দিল্লি হাই কোর্টে তারা জানিয়েছে, ১৭ বছর ধরে স্বচ্ছতার সঙ্গে তারা দক্ষভাবে কাজ করেছে। যেভাবে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে সেটা নীতিবিরুদ্ধ, আদালতে এমনটাই দাবি করেছে তুরস্কের সংস্থাটি।
ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে পাক সেনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠে তুরস্ক সরকারের বিরুদ্ধে। ভারতের যাবতীয় সাহায্যের কথা ভুলে গিয়ে যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানকে ড্রোন দিয়ে সাহায্য করে তুরস্ক সরকার। পাকিস্তানে সেনা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এরপর তুরস্কের সংস্থা সেলেবির সঙ্গে যাবতীয় চুক্তি বাতিল করার কথা ঘোষণা করে ভারত সরকার। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে সেলেবির চুক্তি আপাতত বাতিল করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেলেবির তরফে দিল্লি হাই কোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে তারা দাবি করে কোনও নোটিস ছাড়াই তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে নয়াদিল্লি। তাদের আরও যুক্তি, হঠাৎ করে এভাবে চুক্তি বাতিল করলে ৩৭৯১ জন কর্মী চাকরি হারাবেন। পাশাপাশি তাদের সংস্থায় বিনিয়োগকারীদের মনোবলের উপর প্রভাব পড়বে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোনও চুক্তি কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রভাব পরতে পারে? তাছাড়া শুধুমাত্র এই কারণে এভাবে চুক্তি বাতিল করা যায় না বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি।
বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল দিল্লি হাই কোর্টে। সেলেবির হয়ে সওয়াল করেন বিখ্যাত আইনজীবী মুকুল রোহতগি। সেখানেই সেলেবির দাবি, “আমরা ভারতীয় সংস্থা। আমাদের কর্মীরাও সকলেই ভারতীয়।” সংস্থার তরফে আরও বলা হয়, ১৭ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করার পর এভাবে চুক্তি বাতিল করাটা অত্যন্ত নিয়মবিরুদ্ধ আচরণ। প্রাকৃতিক ন্যায়েরও বিরোধী। উল্লেখ্য, লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা হতেই সেলেবি দাবি করেছিল, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোগানের সঙ্গে সংস্থার সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকি তাদের মালিকানাও তুরস্কের নয়। সেই কথাই আরও একবার আদালতের কাছে তুলে ধরল সেলেবি।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন