সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুরক্ষাবিধি ভঙ্গের অভিযোগে গত ৬ মাসে ৯ বার শোকজ করা হয়েছে বিমান পরিবহণ সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াকে। সংসদে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় ২০০’র বেশি মানুষের মৃত্যুর পর খোদ কেন্দ্রের বিবৃতিতে সামনে এল এয়ার ইন্ডিয়ার চরম দুর্দশার ছবিটা।
গত ১২ জুন আহমেদাবাদে ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে সোমবার রাজ্যসভায় লিখিত প্রশ্ন রেখেছিলেন সিপিএম সাংসদ জন ব্রিট্টাস। সেখানে তিনি জানতে চান ঠিক কী কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে? ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটির সুরক্ষায় গত ৬ মাসে যাত্রীদের তরফে বা ডিজিসিএ-র তরফে কোনও রকম উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল কিনা? এবং বিমানের সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘনের জন্য গত ৬ মাসে এয়ার ইন্ডিয়াকে কোনও নোটিস পাঠানো হয়েছিল কিনা? সোমবার লিখিতভাবেই এই প্রশ্নের জবাব দেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী মুরলিধরন মোহল।
লিখিতভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই প্রশ্নের জবাবে জানান, গত ৬ মাসের মধ্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটির বিরুদ্ধে কোনও খারাপ অভিযোগ আসেনি। কোনও বিরুপ প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি। পাশাপাশি, ১২ জুনের দুর্ঘটনার নির্দিষ্ট কোনও কারণ এখনও সামনে আসেনি বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। এই সময়কালের মধ্যে ৫ বার এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে উঠেছে। এই ঘটনার জন্য উড়ান সংস্থাকে ৯বার নোটিস পাঠানো হয়েছে। এমনকী আইনি পদক্ষেপও নিয়েছে কেন্দ্র।
An Investigation has been ordered by Director General, Aircraft Accident Investigation Bureau under Rule 11 of the Aircraft (Investigation of Accidents & Incidents) Rules, 2017 to determine the probable cause(s)/contributory factor(s) leading to the accident of Air India flight… pic.twitter.com/isKQgPNlnM
— ANI (@ANI) July 21, 2025
এদিকে এই বিতর্কের মাঝেই সোমবার সকালে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে কোনওমতে রক্ষা এয়ার ইন্ডিয়ার AI-2744-এর A320 বিমান। কোচি থেকে মুম্বইগামী বিমান অবতরণের সময় রানওয়েতে ঘটে দুর্ঘটনা। প্রবল বৃষ্টির মাঝে দুর্ঘটনাবশত রানওয়ে থেকে পিছলে যায় বিমানের চাকা। পাইলট বিমানটিকে ফের রানওয়েতে ফেরানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নেয় যে বিমানের তিনটি টায়ার ফেটে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানের ইঞ্জিন। বিমানবন্দরের কর্মীদের সহায়তায় বিমান থেকে উদ্ধার করা হয় যাত্রীদের।