সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে জিএসটি চালু হওয়া ইস্তক নয়া কর পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে নানা মুণির নানা মত। এমন নিয়মে তিতিবিরক্ত হয়ে কেউ কেন্দ্রের তুলোধোনা করছেন, তো কেউ আবার সরকারের প্রশংসা করে জানিয়েছেন জিএসটি আখেরে দেশের জন্য লাভজনকই। তবে জিএসটি-র এতগুলি স্তর নিয়ে অনেকবারই প্রশ্ন উঠেছে। এবার আর্থিক পরামর্শদাতার প্রধান (সিইএ) অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম জানাচ্ছেন, ভবিষ্যতে জিএসটির স্তরের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হতে পার। হতে পারে আমূল পরিবর্তন।
[অযোধ্যাতেই হবে রাম মন্দির, প্রত্যয়ী ঘোষণা ভাগবতের]
তাঁর কথায়, আগামী দিনে ১২ শতাংশ ও ১৮ শতাংশের ভাগ দু’টি মিলে যেতে পারে। আগামী বছর পয়লা জুলাই থেকে কর ব্যবস্থার কাঠামোয় এই পরিবতর্ন আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। যা অন্যান্য দেশের কাছেও দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি বলছেন, “আমি নিশ্চিত আগামী ছয় থেকে ন’মাসের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটিতে ভারসাম্য আসবে। সেক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশের স্তর দু’টি মিলিয়ে একটি নতুন ভাগ তৈরি হতে পারে। অন্যান্য দেশের কাছেও এই মডেলটিই আদর্শ বলে মান্যতা পাবে। তবে সবগুলি স্তর তুলে নিয়ে কেবলমাত্র একটি স্তর রাখা ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে এখনই সম্ভব নয়। কিন্তু স্তর যে কমিয়ে ফেলা হবে, তেমনটাই আশা।
[বিয়ের আসরে বিবাদ, থানায় গিয়ে মালাবদল বর-কনের]
অবশ্য নয়া পদ্ধতি চালু করার ক্ষেত্রে একাধিক সমস্যা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন অরবিন্দ। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও অনেক বাধার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে জিএসটি কাউন্সিল। সিইএ-র আশা, সব ধরনের বাধা অতিক্রম করে নয়া কর পরিষেবা ব্যবস্থার আরও উন্নতি ঘটবে। উল্লেখ্য, গত মাসেই জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, মাত্র ৫০টি দ্রব্যে পণ্য ও পরিষেবা কর ২৮ শতাংশ থাকছে। বাকি ১৭৭টি পণ্যের ক্ষেত্রে জিএসটি ২৮ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে আনা হয়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির পৌরহিত্যে আয়োজত বৈঠকে নেওয়া হয়েছিল সেই সিদ্ধান্ত।