সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পিছু হঠার কোনও লক্ষ্মণই নেই। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (LAC) প্যাংগং হ্রদ এলাকা. নতুন করে নির্মাণ কার্য শুরু করেছে ‘ড্রাগন’ সেনা (PLA)। শুধু সেনার ছাউনি, ব্যারকই নয়, সীমান্তের ওপাড়ে তৈরি হচ্ছে ফাইভ জি-র (5G) পরিষেবার পরিকাঠামো। যদিও মুখে চিনের প্রশাসনিক কর্তাদের দাবি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে সেনা সরাচ্ছে তাঁরা।
সম্প্রতি এক রিপোর্ট প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনের গোপন অভিসন্ধি সামনে এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডেমচক (Demchok) এলাকায় ড্রাগনের লালফৌজ অপটিক ফাইবার পাতছে। যা মূলত সীমান্ত এলাকায় 5G পরিষেবা চালুর আগাম পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, স্রেফ ফাইবার অপটিক কেবল পাতাই নয়, আরও একাধিক সরঞ্জাম সেখানে মজুত করা হয়ছে। যা ফাইভ জি পরিষেবা চালু করতে ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্যাংগং হ্রদ (Pangong Lake) এলাকায় তৈরি হচ্ছে আরও সেনা ছাউনি, ব্যারাকও। প্রসঙ্গত, আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এই নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে।
[আরও পড়ুন : কাশ্মীরে অব্যাহত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান, সংঘর্ষে খতম ২ জেহাদি]
চিনের (China) এই আচরণ অবশ্য নতুন নয়। সীমান্তে উত্তেজনার পারদ কমাতে ভারত-চিনের সেনা ও প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সেনা সরাতে দু’পক্ষই রাজি হয়েছে। অথচ তার মাঝেই চিনের এহেন কার্যকলাপকে ‘পিঠে ছুঁড়ি মারা’ হিসেবেই গণ্য করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে আকসাই চিন ও দৌলত বেগ ওল্ডির কাছেও চিনা সেনার তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। আর তাই লাদাখের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা আরও মজবুত করার জন্য অতিরিক্ত ৩০ হাজার সেনা পাঠিয়েছে ভারত। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনার শক্তি বাড়াতে ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। এই সিস্টেমে কাঁধে নিয়েই স্থলপথে হোক কী আকাশ পথে শত্রুকে লক্ষ্য করে নিখুঁত নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা যাবে।