Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
আইসিসিআই ব্যাংক

বয়কটের বুলিই সার! ICICI ব্যাংকের শেয়ার কিনল চিনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

এর আগে HDFC ব্যাংকেও বিনিয়োগ করেছিল চিনের এই ব্যাংকটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২০, ১৭:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২০, ১৭:৫৪

options
link
বয়কটের বুলিই সার! ICICI ব্যাংকের শেয়ার কিনল চিনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এইচডিএফসি ব্যাংকের পর এবার আইসিআইসিআই ব্যাংক। ফের ভারতীয় সংস্থায় বিনিয়োগ করল পিপলস ব্যাংক অফ চায়না (People’s Bank of China)। চিনের কেন্দ্রীয় সংস্থার এই বিনিয়োগ নিয়ে রীতিমতো গুঞ্জন তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দেশজুড়ে যখন চিনা পণ্যের বয়কটের ডাক উঠছে, তখন চিনা সংস্থার বিনিয়োগ গ্রহণ করা হল কেন? প্রশ্ন বিরোধীদের।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, সদ্যই আইসিআইসিআই ব্যাংক (ICICI Bank) বাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার মুলধন তুলেছে। মোট ৩৫৭টি সংস্থা ব্যাংকটির শেয়ার কিনেছে। এর মধ্যে চিনের পিপলস ব্যাংক বিনিয়োগ করেছে ১৫ কোটি টাকার। অন্যান্যদের মধ্যে আইসিআইসিআই ব্যাংকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। তবে, সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ অবশ্য বাড়িয়েছে চিনের ব্যাংকের এই বিনিয়োগ। মাস তিনেক আগেই এইচডিএফসি লিমিটেডের (HDFC) বিপুল শেয়ার কিনেছে ‘পিপলস ব্যাংক অফ চায়না’। তার আগেও এইচডিএফসি-র ০.৮ শতাংশ শেয়ার কিনেছিল পিপলস ব্যাংক অফ চায়না। অর্থাৎ, এই মুহূর্তে সব মিলিয়ে এইচডিএফসির প্রায় ২ শতাংশ শেয়ারের মালিক পিপলস ব্যাংক অফ চায়না। এবার আইসিআইসিআই ব্যাংকেও ১৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনে ফেলল চিনের ব্যাংকটি। যা চিন্তা বাড়াবে ভারতের বিনিয়োগকারীদের।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: PM CARES-এর অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে পাঠানো যায় না, মত সুপ্রিম কোর্টের]

উল্লেখ্য, লাদাখ সীমান্তে প্রায় মাস পাঁচেক ধরে অশান্তি চলছে। এমনকী চিন সীমান্তে চার দশক বাদে রক্তপাতও হয়েছে। চিনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদও হয়েছেন। এই ঘটনার পরই দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাক ওঠে। এমনকী, ভারত সরকারও চিনের বেশ কয়েকটি অ্যাপ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বস্তুত দেখা যাচ্ছে চিনা সরকার এবং ভারতে চিনের বিনিয়োগের শিকড় আরও গভীরে। বিরোধীদের আশঙ্কা, ব্যাপক আর্থিক মন্দার জেরে বহু ভারতীয় সংস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এবং এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে চিন। যদিও অর্থনৈতিক মহলের দাবি, বিদেশি কোনও সংস্থা ব্যাংকের শেয়ারের অংশীদার হলে তাতে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ভয় নেই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.