সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে নির্বাচন তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) জেরে ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। যা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কেন নাম বাদ গিয়েছে, তার কারণ-সহ ওই তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সময়সীমা পেরনোর অনেক আগেই নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ করল কমিশন। রবিবার জেলাশাসকদের ওয়েবসাইটে ওই তালিকা পোস্ট করা হয়েছে।
ওয়েবসাইটগুলির লিঙ্ক নির্বাচন কমিশনের ভোটার পরিষেবা পোর্টালে (voters.eci.gov.in) ঢুকছে। যেখানে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অথবা বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রের বুথ নির্বাচন করে নাম অনুসন্ধান করা যেতে পারে। পোর্টালে বার্তায় খসড়া তালিকা নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে আধার কার্ডের কপি দিয়ে আবেদন করার কথাও বলা হয়েছে। ডাউনলোড করার পর পিডিএফ ফাইলে সিরিয়াল নম্বর, এপিক নম্বর, ভোটারের নাম, সম্পর্কের ধরন, আত্মীয়ের নাম, পুরনো অংশ নম্বর, পুরনো সিরিয়াল নম্বর, বয়স, লিঙ্গ এবং অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার কারণ (১ আগস্ট, ২০২৫ অনুযায়ী) দেখা যাচ্ছে। আদালত কমিশনকে প্রতিটি সংবাদপত্র, রেডিও, টিভি ইত্যাদিতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিটি বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার) অফিস এবং পঞ্চায়েত অফিসেও বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা থাকতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি।
অন্যদিকে, ‘ভোটচুরি’র মতো আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে নাম না করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে তুলোধোনা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এদিন জ্ঞানেশ কুমার দাবি করেন, “কমিশনের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণকে নিশানা করে রাজনীতি চলছে। সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে মিথ্যাকে সত্যি করা যাবে না।” জ্ঞানেশ কুমার কংগ্রেসের নেতার উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলে দেন, রাহুল গান্ধী যে সব অভিযোগ করেছেন, ৭ দিনের মধ্যে সেগুলির প্রমাণ-সহ হলফনামা দিতে হবে। নাহলে দেশবাসীর উদ্দেশে ক্ষমা চাইতে হবে।”