Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

সাম্প্রদায়িক বিজেপির বিদায় আসন্ন, দিল্লিতে হুঙ্কার মমতার

ক্রমশ বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে ফেডারেল ফ্রন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৪:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৪:৩০

options
link
সাম্প্রদায়িক বিজেপির বিদায় আসন্ন, দিল্লিতে হুঙ্কার মমতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরোধী জোট গড়ার কাজ নবান্নেই শুরু করেছিলেন। দিল্লি সফরে গিয়ে তা প্রায় পাকা করে ফেললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মমতার সঙ্গে দেখা করেন তামাম দেশের বিরোধী নেতারা। কথা হয় শিব সেনা ও এনসিপি-র সঙ্গে। আর তারপরই মমতার হুঙ্কার, সাম্প্রদায়িক বিজেপির যাওয়ার সময় এসেছে।

[  মিশনের আগেই কর্ণাটক বিধানসভা ভোটের দিন টুইট, বিপাকে বিজেপি নেতা ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিজেপি বিরোধী জোটের প্রধান উদ্যোক্তা মমতাই। এর আগেও তিনি তাঁর স্বপ্নের ফেডারেল ফ্রন্টের হয়ে লড়াই করেছেন। কিন্তু রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির হাওয়া বিজেপির পালে নেই। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়েই ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনে উঠেপড়ে লেগেছেন মমতা। আর তাঁর ভাবনায় সায় দিচ্ছেন বিরোধী নেতারাও। মঙ্গলবার কিছুক্ষণ সংসদের সেন্ট্রাল হলে যান মমতা। দেখা হয় অনেকের সঙ্গেই। এরপর তাঁর সঙ্গে একে একে দেখা করেন প্রায় সব বিরোধী দলের নেতারাই। শিব সেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে বৈঠক হয় তাঁর। এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারও একান্তে কথা বলেন মমতার সঙ্গে। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা পেশ করেন, বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে একের বিরুদ্ধে এক তত্ত্ব। অর্থাৎ মমতার মত, যে যেখানে শক্তিশালী সে সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করুক। যেমন উত্তরপ্রদেশে যদি মায়াবতী-অখিলেশ জোট বাঁধেন তবে পদ্ম শিবিরের হুল ফোটানোর কোনও সম্ভাবনাই নেই। আবার এই বিরোধী দলগুলি বৃহত্তর স্বার্থে একজোট হয়েও কাজ করুক। মোটকথা বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রত্যেকটি বিরোধী দল তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী লড়াই করুক এবং জাতীয় ক্ষেত্রে একজোট হোক, এটাই মমতার বক্তব্য।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

মমতার এই সমীকরণে বড় প্রশ্নচিহ্ন কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কাজ করতে কিছু সমস্যা হচ্ছে বর্ষীয়ান নেতাদের। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চাইছেন সনিয়া গান্ধী। এদিন সনিয়ার সঙ্গে অবশ্য মমতার বৈঠক হয়নি। এদিকে নবান্নে দাঁড়িয়ে কেসিআর কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের সম্ভাবনা উসকে দিয়েছিলেন। এদিন কৌশলী মমতা বলেন, সনিয়াজি অসুস্থ তাই কথা হয়নি। কিন্তু বৈঠকে যে তাঁর কোনও আপত্তি নেই তা জানিয়ে দিলেন। এমনকী অখিলেশ, মায়াবতী চাইলে তাঁদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন তিনি। বিরোধী জোটকে ঐক্যবদ্ধ করতে করতেই মমতা মন্তব্য, বিজেপির থেকে সাম্প্রদায়িক দল আর কেউ নেই। প্রকৃত হিন্দুত্বকেই নষ্ট করছে বিজেপি। এই সাম্প্রদায়িক দলের বিদায়ের সময় ঘনিয়ে এসেছে বলেই জানান তিনি। নিজের রাজ্যে বিভিন্ন সভাতেও তিনি এই মত তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বিজেপির হিন্দুত্বের বিরোধিতায় তাঁর তত্ত্ব ‘ভাল হিন্দুত্ব বনাম খারাপ হিন্দুত্ব’। বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ব সাম্প্রদায়িকতার জন্ম দেয়। অন্যদিকে রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ যে হিন্দুত্বের পথা দেখান তা সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের কথাই বলে। রাজ্যের একাধিক সভায় এ কথা বলে থাকেন মমতা। এদিন দিল্লির দরবারেও সে কথা শুনিয়ে দিলেন। আসন্ন সাধারণ নির্বাচন যে বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠছে মুখ ফুটে জানিয়েও দিলেন। আর সেখানে ক্রমশ মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছেন মমতাই। ফেডারেল ফ্রন্ট বা মমতার ‘একের বিরুদ্ধে এক তত্ত্ব’ কতটা কার্যকরী হবে তা ভবিষ্যত বলবে। তবে এই মুহূর্তে বিজেপিকে যে তাঁর উদ্যম রীতিমতো চাপে রেখেছে তা আঁচ করতে পারছেন জাতীয় স্তরের প্রায় সব বিরোধী দলই। আগামীকাল বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতার সঙ্গেও দেখা করবেন মমতা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.