সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে ফের একবার কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিদরে একটি নির্বাচনী সভায় এসে ফের আক্রমণাত্মক মোদি। সেখানেই কংগ্রেসকে একহাত নেন। বলেন, “কংগ্রেস মনে করে প্রধানমন্ত্রীর পদ একটি মাত্র বংশের জন্য সংরক্ষিত।”
দিন দুই আগেই রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, যদি ২০১৯ সালে তাঁদের দল ক্ষমতায় আসে, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার হতে পারেন। তারপরই নরেন্দ্র মোদি এই উক্তি করেন। তিনি বলেন, “নতুন নির্বাচিত হওয়া কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন।”
[ ছেলের বিয়েতে পাঁচদিনের মুক্তি লালুর, কিন্তু পিছু ছাড়ছে না সিবিআই মামলা ]
এর আগেও একাধিকবার নরেন্দ্র মোদির তোপের মুখে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। মোদি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কেন কংগ্রেসের টার্গেট শুধুই তিনি? তারা মিথ্যে ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছে। সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে একাজ করেছে কংগ্রেস বলে অভিযোগ তোলেন মোদি। ২০১৪ সাল থেকে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। গরিবদের যারা লুট করছে, তাদের প্রতিটি পয়সা ফের দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আর সেই কারণেই ফুঁসছে কংগ্রেস। বেলাগাভিতে একটি সভায় একথা বলেন মোদি।
১২ মে কর্ণাটক ভোট। তার আগে সেখানে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধারের পর সমালোচনার মুখে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল কংগ্রেস। তারা যে ভুয়ো ভোটার কার্ডের সাহায্যে গণতান্ত্রিক নির্বাচন বিপন্ন করতে চায়, এমনও অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।
[ বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার প্রায় ৯,৭৪৬টি ভোটার কার্ড, বিজেপি-কংগ্রেস চাপানউতোর শুরু ]
বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগর নির্বাচন কেন্দ্রের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৯ হাজার ৭৪৬টি ভোটার কার্ড। ছোটো প্যাকেটে মুড়ে রাখা ছিল সেই কার্ডগুলি। সেই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে বেশ কিছু নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র। নির্বাচনী কারচুপির কোনও কাজ সেখানে হচ্ছিল বলেই প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে একটি প্রিন্টার ও ল্যাপটপও উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই ভুয়ো ভোটার কার্ডের তদন্ত শুরু করেছে তারা। কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও তথ্য সংগ্রহ করবে তারা। দোষীকে খুঁজে পাওয়া গেলে তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।