Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দাবি না মানা হলে ভারত বনধ, প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দলিত সংগঠনগুলির

স্বাধীনতা দিবসের আগে এই বনধ নিয়ে চিন্তায় সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ১৮:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৮, ১৮:০৪

options
link
দাবি না মানা হলে ভারত বনধ, প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দলিত সংগঠনগুলির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই দলিতদের যাবতীয় দাবি মেনে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চূড়ান্ত বার্তা দিল দেশের অন্যতম দলিত সংগঠন আম্বেদকর মহাসভা। আম্বেদকর মহাসভার তরফে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শীতকালীন অধিবেশনের শুরুতেই যদি দলিত সমস্যা নিয়ে সংসদে আলোচনা না হয়, তাহলে ৯ আগস্ট ভারত বনধের ডাক দেবেন তারা। শুধু আম্বেদকর মহাসভা নয়, এই বনধে শামিল হতে চলেছে অন্য দলিত সংগঠনগুলিও। শামিল হচ্ছে সিপিএমের কৃষক সংগঠন সারা ভারত কিষাণ মহাসভা। শামিল হচ্ছে ‘এক পদ এক পেনশন’ এর দাবিতে আন্দোলনরত প্রাক্তন সেনাকর্মীরাও, শামিল হতে চলেছে অন্য কয়েকটি কৃষক সংগঠনও। আম্বেদকর মহাসভার দাবি, তাদের এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক।

[আর্থিক উন্নয়ন দেখতে ভারতে আসুন, অমর্ত্য সেনকে চ্যালেঞ্জ সরকারি আমলার]

আয়োজকরা যতই দাবি করুক দলিতদের এই বনধেও বিরোধীদের প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। বিশেষ করে বামপন্থীদের মদত স্পষ্ট বলে দাবি করেছে শাসক শিবির। এদিকে মায়াবতীর দল বহুজন সমাজ পার্টি সরাসরি দলিত ধর্মঘটকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে। যদিও, কংগ্রেসের তরফে তাদের অবস্থান এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল এসসি-এসটি আইনে সংশোধনী সহ একাধিক ইস্যুতে ভারত বনধের ডাক দিয়েছিল দলিত সংগঠনগুলি। ২ এপ্রিলের সেই বনধে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল গোবলয়ের রাজ্যগুলি। মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, বিহারের মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অবস্থা সবচেয়ে খারপ হয়েছিল। বেশ কিছু জায়গায় পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন বনধ সমর্থকরা। কয়েকটি জায়গায় গুলিও চালাতে হয় পুলিশকে। বনধ চলাকালীন সংঘর্ষে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল পাঞ্জাব, হরিয়ানা বিহারেও। এরাজ্যে অবশ্য বনধের ততটা প্রভাব পড়েনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[জোট সরকার শরীরে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে, কুমারস্বামীর মন্তব্যে জল্পনা]

তবে, ২ এপ্রিলের স্মৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আগে থেকে সতর্ক হচ্ছে প্রশাসন। স্বাধীনতা দিবসের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই দলিত বনধ মোদি সরকারের ভাবমূর্তিতে আঘাত হানতে পারে সেই আশংকায় দলিত সংগঠনটির সঙ্গে আলোচনার পথে হাঁটতে পারে সরকার। তাছাড়া এবারের লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দলিতদের জন্য বড় কোনও প্যাকেজও ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, এসবে আদৌ ড্যামেজ কন্ট্রোল হবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান গেরুয়া শিবিরেরই একাংশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.