Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘হিন্দু-মুসলিম’ তাস খেলেই বিশ্বের এক নম্বর হবে ভারত? মোদিকে প্রশ্ন কেজরিওয়ালের

‘চারবছর পরেও ভাঙা রেকর্ড বাজাচ্ছেন মোদি।’

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১১:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০১৮, ১১:৩১

options
link
‘হিন্দু-মুসলিম’ তাস খেলেই বিশ্বের এক নম্বর হবে ভারত? মোদিকে প্রশ্ন কেজরিওয়ালের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে অন্যান্য দেশগুলি যখন গতিশীল, তখন ‘হিন্দু-মুসলিম’ প্রসঙ্গই ভারতকে বিশ্বের এক নম্বরে নিয়ে যাবে?  রবিবার ইন্দোরে অনুষ্ঠিত আপের রাজ্য সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন ছুঁড়লেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

[মন্দির ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান তৈরি করবে না, পড়ুয়াদের উদ্দেশে বললেন স্যাম পিত্রোদা]

শনিবার উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের এক জনসভায় কংগ্রেসকে ‘মুসলিমদের দল’ বলে কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক তার একদিন পরে মোদিকেই পালটা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, ‘চার বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও যদি জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে মোদিকে ‘হিন্দু-মুসলিমে’র তাস খেলতে হয়, তাহলে বিজেপি সরকার এতদিনে কিছুই করে উঠতে পারেনি। এই হিন্দু-মুসলিম করে কি দেশকে বিশ্বের এক নম্বরে নিয়ে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি? যখন প্রধানমন্ত্রী ‘হিন্দু-মুসলিমে’র ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে চলেছেন, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান ন্যানো টেকনোলজি নিয়ে আলাপ আলোচনা করছে। ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড বৃহত্তর প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছে।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ক্ষোভ উগরে দিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একমাত্র শিক্ষাই ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। বিশ্বের একনম্বর আসনেও বসাতে পারে। তবে গত ৭০ বছরে দেশের শিক্ষায় কোনও অগ্রগতি হয়নি। ক্ষমতায় থাকা কোনও সরকারই শিক্ষার অগ্রগতিতে কোনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়নি। যদিও এই ভারতেই সবথেকে বেশি বিজ্ঞ লোকদের বসবাস। সেই সঙ্গে রয়েছে নোংরা রাজনীতিও। যার কাজ, দেশের বড় অংশের মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে অশিক্ষিত করে রাখা।’

[টুইটারের পরীক্ষায় জাতীয় রাজনীতিতে মমতার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে]

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তথাকথিত ধর্মীয় রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন সময় সমালোচনা হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ, অর্থনীতিবিদরা বিভিন্ন সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বার বার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ধর্মের তাস খেলতে গিয়ে আদতে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরই ক্ষতি করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তবে এতে হিতে বিপরীতই হয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বাঘা বাঘা মন্ত্রী থেকে বিজেপির ছোটখাটো নেতারা নখ-দাঁত বের করে আক্রমণ হেনেছেন। মান বাঁচাতে চুপ করে গিয়েছেন দেশের মানগন্য ব্যক্তিবর্গ। সব ক্ষেত্রেই নীরব অবস্থানে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। নিন্দুকদের বক্তব্য যদিও অন্যকথা বলছে। তাদের দাবি, সুকৌশলে দলীয়নেতাদের এগিয়ে দিয়ে কাজ হাসিলের চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এবার আর সুকৌশলে নয়, আজমগড়ের জনসভায় কংগ্রেসকে ‘মুসলিমদের দল’ বলে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। এরপরেই বিভিন্ন মহল থেকে ক্ষোভের আঁচ আসছে। এতদিন বার বার বলা হয়েছে, পরোক্ষভাবে ধর্মীয় তাস খেলছে বিজেপি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যের পর প্রায় স্পষ্টই হয়ে গেল বিজেপির অ্যাজেন্ডা। যা দেশের মননশীল সমাজকে আহত করেছে। এমনটাই দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.