Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
CJI DY Chandrachud

‘আমার এক্তিয়ার নিয়ে কথা বলবেন না’, হঠাৎ রেগে আগুন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়

কেন হঠাৎ মেজাজ হারালেন প্রধান বিচারপতি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৩, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৩, ১৭:৫১

options
link
‘আমার এক্তিয়ার নিয়ে কথা বলবেন না’, হঠাৎ রেগে আগুন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি চলাকালীন মেজাজ হারালেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। আইনজীবীকে উদ্দেশে সোজা বলে দিলেন,”আমার এক্তিয়ার নিয়ে কথা বলবেন না।” প্রধান বিচারপতির মেজাজি উক্তি শুনে হতচকিত গোটা এজলাস।

হঠাৎ কেন এমন রেগে গেলেন প্রধান বিচারপতি? আসলে মঙ্গলবার এক বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রধান বিচারপতির এজলাসে দাঁড়িয়েই তাঁর রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকী, অন্য বেঞ্চে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। তাতেই মেজাজ হারান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। ঘটনার সূত্রপাত একটি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ নিয়ে। প্রধান বিচারপতি সেই মামলায় দ্রুত শুনানি শেষ করার আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ১৭ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। কিন্তু আইনজীবী প্রধান বিচারপতির কাছে জোরাজুরি শুরু করেন, আরও আগে শুনানির জন্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন দিতে হবে, কেন্দ্রকে নীতি প্রণয়নের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]

আইনজীবীর জোরাজুরির মুখেও অনড় থাকেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, আরও একাধিক জরুরি মামলা দ্রুত শুনানির আরজি জমা পড়ে আছে। তাই ১৭ এপ্রিলের আগে কোনওভাবেই সম্ভব নয়। এরপরই ওই আইনজীবী বলেন, “আমি তাহলে অন্য এজলাসে গিয়ে দ্রুত শুনানির আরজি জানাব।” আইনজীবীর সেই বক্তব্য শুনেই ফুঁসে ওঠেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। তিনি বলেন,”আমার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। আমার সঙ্গে খেলবেন না।” প্রধান বিচারপতির ক্ষোভ বুঝতে পেরে নিমেষে ক্ষমা চেয়ে নেন ওই আইনজীবী। প্রধান বিচারপতিও পরক্ষণেই তাঁকে ক্ষমা করে দেন।

[আরও পড়ুন: ‘সতর্কতামূলক গ্রেপ্তারি’ আইন ঔপনিবেশিক, রাষ্ট্রকে অসীম শক্তিশালী করতে পারে: সুপ্রিম কোর্ট]

এমনিতে প্রধান বিচারপতি (CJI) বেশ দৃঢ়চেতা মানুষ। কাজের ক্ষেত্রে কোনওরকম ফাঁকিবাজি তিনি পছন্দ করেন না। নিয়মানুবর্তিতা নিয়েও বেশ কঠোর তিনি। কোনওরকম বেনিয়ম বরদাস্ত করেন না। এদিন আরও একবার তিনি বুঝিয়ে দিলেন নিয়ম বহির্ভূত কোনও কাজ করবেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.