সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পরও ড্রিমলাইনারেই আস্থা! সংসদীয় কমিটির কড়া প্রশ্নবাণের মুখে এয়ার ইন্ডিয়া জানাল, ড্রিমলাইনার এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ বিমানগুলির অন্যতম। গোটা বিশ্বে অন্তত ১ হাজার ড্রিমলাইনার এই মুহূর্তে পরিষেবা দিচ্ছে।
সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে দুর্ঘটনার পর উড়ানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য তলব করেছিল। মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে নিজেদের তরফে রিপোর্ট দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। তাতে এয়ার ইন্ডিয়ার দাবি, ড্রিমলাইনার নিরাপদ বিমান। তাতে দুর্ঘটনার তেমন নজির নেই।
সরকারি হিসাবে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় মোট ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বহু বিদেশি নাগরিকও ছিলেন। ভারতের তরফে ওই বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত করছে ডিজিসিএ, এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB), ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (BCAS), এই তিন সংস্থা। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। কেন দুর্ঘটনা, ব্ল্যাক বক্সের তথ্য উদ্ধারে এত দেরি কেন? এসব নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়াকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা। তাতে এয়ার ইন্ডিয়ার জবাব, এই সব তথ্যের জন্য প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
এয়ার ইন্ডিয়ার যুক্তি, ২০১১ সাল থেকে আকাশে উড়ছে এই মডেলটি। কিন্তু এযাবৎ একটিও এমন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়নি তাকে। জ্বালানি দক্ষতা থেকে উন্নত উপাদানে প্রস্তুত এই মডেলের বিমানটি যে এমনভাবে দুর্ঘটনার কবলে পড়বে তা অভাবনীয়। এমন শক্তিশালী ‘সেফটি রেকর্ডে’র পর এই ড্রিমলাইনারকে ‘বিপজ্জনক’ হিসাবে ভাবতে নারাজ এয়ার ইন্ডিয়া। এদিন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও উইলসন ক্যাম্পবেল, অসামরিক বিমান মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা, এয়ারপোর্ট অথোরিটির শীর্ষ আধিকারিকরা, ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি আধিকারিকরা এবং অন্যান্য বিমান সংস্থার সিইওরা উপস্থিত ছিলেন।