সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বোধহয় একেই বলে স্বভাব! রাস্তার ধার কিংবা বিমান, প্রকৃতির ডাকে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাস কি সহজে ছাড়া যায়?
[ফের বাড়ল জ্বালানির দাম, কপালে চিন্তার ভাঁজ মধ্যবিত্তের]
যদিও আমেরিকা ফেরত। তাতে কী? পুরনো অভ্যাস বলে কথা। আর শুক্রবার সেই অভ্যাসের সাক্ষী রইলেন এয়ার ইন্ডিয়ার নিউ ইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী একটি বিমানের যাত্রীরা। গোটা ঘটনায় আশঙ্কিত ভুক্তভোগী ওই মহিলা যাত্রী। একাই এআই ১০২ বিমানে চেপে দিল্লি আসছিলেন তিনি। আচমকাই পাশে বসে থাকা মদ্যপ এক যাত্রী উঠে দাঁড়িয়ে প্যান্ট খুলে তাঁর গায়ে প্রস্রাব করতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন তিনি এবং বিমানের অন্য যাত্রী ও কর্মীরা। সকলে ওই মদ্যপ যাত্রীকে সরিয়ে নিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মহিলা যাত্রীর মেয়ে। টুইট করে তিনি ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে বিচার করে বিমানসংস্থাকে ঘটনার তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে অসামরিক বিমান মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা।
[অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পুলিশকর্মীর আত্মীয়দের]
এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদিও অভিযোগ জানাতে বিমানসংস্থায় ফোন করলে ওয়েবসাইটে ‘ফিডব্যাক’ লিখতে বলা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই মহিলা যাত্রীর মেয়ে ইন্দ্রানী ঘোষ।
বিমানে যাত্রীদের ব্যবহার-আচার-আচরণ নিয়ে এর আগে একাধিক অসভ্যতার অভিযোগ রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের খাতায়৷ কিন্তু, অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থাই নিতে দেখা যায়নি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থাকে৷ যাত্রীদের অভিযোগ, কীভাবে একজন মদ্যপ ব্যক্তিকে বিমানে ওঠার অনুমতি দিল এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ? মহিলা যাত্রীর অভিযোগের পরও কেন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া গেল না? অভিযোগ জানাতে গিয়ে কেন মহিলা যাত্রীকে ‘ফিডব্যাক’ লিখতে বলা হল? এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তরই দিতে পারেনি বিমান সংস্থা৷
[রাজীব গান্ধী হত্যার মতোই ছক বাম বুদ্ধিজীবীদের, দাবি পুলিশের]