Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ভোটার কার্ড

আধার নয়, নাগরিকত্বের প্রমাণে ভোটার কার্ডেই সিলমোহর মুম্বইয়ের আদালতের

এক দম্পতির বিরুদ্ধে চলা মামলার রায় দিতে গিয়ে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০০:৫০

options
link
আধার নয়, নাগরিকত্বের প্রমাণে ভোটার কার্ডেই সিলমোহর মুম্বইয়ের আদালতের zoom
ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধার কার্ড যথেষ্ট নয়। সচিত্র পরিচয়পত্র বা ভোটার কার্ডই নাগরিকত্বের বড় প্রমাণ। তা দেখাতে পারলে আরও অন্য কোনও কাগজ দেখানোর দরকার পড়বে না। সম্প্রতি এমনই নির্দেশ দিয়েছেন মুম্বইয়ের একটি আদালত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বসবাস করার অভিযোগে মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বই থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দম্পতির নাম হল আব্বাস শেখ (৪৫) ও রাবিয়া খাতুন (৪০)। তাঁরা বাংলাদেশি বলে সন্দেহও প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু, শুনানি শেষ হওয়া পর তাঁদের বেকসুর খালাস করে দিলেন মুম্বইয়ের এসপ্ল্যানেড (Esplanade) কোর্টের বিচারক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অযোধ্যায় প্রাণ দিয়েছিলেন দুই করসেবক ভাই, রাম মন্দির ট্রাস্টের সদস্য হতে চান বোন ]

 

এপ্রসঙ্গে ওই বিচারক জানান, জন্ম ও বসবাসের আসল শংসাপত্র এবং পাসপোর্ট-সহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট কোনও ব্যক্তির অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট। এমনকী সচিত্র পরিচয়পত্রও একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। কারণ এই পরিচয়পত্র তৈরি করার সময় জন প্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী ৬ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। তাতে পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করতে হয় যে আবেদনকারী একজন ভারতীয়। এবং ওই দাবি যদি পরবর্তীকালে কোনওদিন মিথ্যে প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। আব্বাস শেখ ও রাবিয়া খাতুন কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তাতে কোনওভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং তাঁরা সত্যি বলছেন এটাই প্রমাণ হয়েছে।

[আরও পড়ুন: অদম্য ইচ্ছার জয়, ১৪ বছর জেলবন্দি থাকার পরেও ডাক্তারি পাশ ব্যক্তির ]

 

ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করার সময় তাঁরা জাল কাগজপত্র দেখিয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ পুলিশের। কিন্তু, এর কোনও প্রমাণ আদালতের শুনানির সময় জমা করতে পারেনি তারা। এই বিষয়টি উল্লেখ করে বিচারক তাদের ভর্ৎসনাও করেন। বলেন, ‘ওই দম্পতির বিরুদ্ধে জাল কাগজপত্র জমা করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। কিন্তু, তার স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে পারেনি পুলিশ। তাই ওই দম্পতিকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হল।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.