Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Electoral Bonds

ইলেক্টোরাল বন্ড ‘কেলেঙ্কারি’র তদন্তে SIT গঠনের দাবি, মামলা সুপ্রিম কোর্টে

মামলাকারী আইনজীবীর দাবি, আপাত দৃষ্টিতে এই কেলেঙ্কারি ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মনে হলেও আসলে এটা ১৬ লক্ষ কোটি টাকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৪, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৪, ১৬:০১

options
link
ইলেক্টোরাল বন্ড ‘কেলেঙ্কারি’র তদন্তে SIT গঠনের দাবি, মামলা সুপ্রিম কোর্টে zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইলেক্টোরাল বন্ডে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! তদন্তে গঠন করতে হবে বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT। এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানাল দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাঁদের দাবি, নির্বাচনী বন্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হোক। ওই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।

দিন কয়েক আগেই নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bonds) দুর্নীতির অঙ্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। প্রশান্তের দাবি, আপাত দৃষ্টিতে এই কেলেঙ্কারি ১৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মনে হলেও আসলে এটা ১৬ লক্ষ কোটি টাকার। বন্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক হাজার কোটির অনুদানের জন্য সংস্থাগুলি তার ১০০ গুন সুবিধা সরকারের কাছ থেকে নিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের মাঝে ৫ কোটি টাকা চেয়ে উদয়ন গুহকে চিঠি KLO’র, তুমুল চাঞ্চল্য]

মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উদাহরণ তুলে প্রশান্ত ভূষণ দাবি করেছেন, ওই সংস্থা বিজেপিকে (BJP) ১৪০ কোটি টাকা বন্ডের মাধ্যমে দিয়েছে। তার বদলে সরকার ওই সংস্থাকে ১৪ হাজার কোটির বরাত দিয়েছে। সেই হিসাবে পুরো কেলেঙ্কারি ১৬ লক্ষ কোটির। শুধু তাই নয়, বন্ডের মাধ্যমে অনুদান না করলে ইডি-সিবিআই হয়তো বহু সংস্থার বহু টাকা বাজেয়াপ্ত করতে পারত, বা দুর্নীতি প্রকাশ্যে আনতে পারত। সেগুলোও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে।

[আরও পড়ুন: ২০১৭ সালের টেটের প্রশ্নে আদৌ ভুল ছিল? জানতে বিশেষ কমিটি গঠন হাই কোর্টের]

প্রশান্ত ভূষণের (Prashant Bhusan) ওই দাবিকে হাতিয়ার করেই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল। সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন এবং ‘কমন কজ’, নামের ওই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দাবি, বন্ডের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। এটার তদন্তে সিট গঠন করতে হবে। আর গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.