সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আয় কমছে। তাছাড়া দেশের সার্বিক অর্থনীতির অবস্থাও ভাল নয়। এই পরিস্থিতিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিল ইপিএফও(EPFO)। একধাক্কায় ইপিএফে সুদ কমছে ১৫ বেসিস পয়েন্ট। আগামী এক বছর ইপিএফ সদস্যরা নিজেদের আমানতের উপর সাড়ে আট শতাংশ হারে সুদ পাবেন। আগের বছর এই সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ হারে।
Union Labour Minister Santosh Gangwar: Central Board of Trustees have decided to decrease the rate of employees provident fund to 8.5% for 2019-2020. Earlier it was 8.65% pic.twitter.com/wstu4tWXdh
Advertisement— ANI (@ANI) March 5, 2020
বৃহস্পতিবার শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার (Santosh Gangwar) জানিয়েছেন, চলতি আর্থিক বছরেই এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদ কমানো হচ্ছে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এই সুদের হার ৮.৬৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮.৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। সুদের হার কমানোর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের আয়ের বহর গত একবছরে অনেকটাই কমেছে। তাছাড়া সংস্থাটি বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়াতে চাইছে। তাই, সবদিক বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত।
[আরও পড়ুন: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, এপ্রিলেই মিশে যাচ্ছে ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক]
উল্লেখ্য, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রায় ৬ কোটি চাকুরিজীবী অর্থ গচ্ছিত রাখেন। সুদের হার কমায় তাঁদের সঞ্চয়ের পরিমাণ অনেকটাই কমবে। উল্লেখ্য, গতবছর ইপিএফে সুদের হার ১০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছিল। আর্থিক সংকটের মধ্যে সেই সিদ্ধান্তে অনেকেরই চোখ কপালে ওঠে। এবছর সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্টির বৈঠকের আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল সুদ কমিয়ে আগের হারে করা হতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছিলেন, না এবছর সুদ অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। শেষপর্যন্ত, সুদ কমানোর সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল ট্রাস্টি। ইপিএফও ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে সুদ দিত ৮.৫০ শতাংশ হারে। আর ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সুদ দিত ৮.৫৫ হারে। সাম্প্রতিক অতীতে সবচেয়ে বেশি সুদ মিলেছিল ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে। সেবার সুদের হার ছিল ৮.৮ শতাংশ।