Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Farooq Abdullah

এবার কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে ইডির নোটিস, বৃহস্পতিবারই হাজিরার নির্দেশ

লোকসভা ভোট এগিয়ে আসতেই সক্রিয়তা বাড়ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৪, ০৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৪, ০৮:৫৮

options
link
এবার কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে ইডির নোটিস, বৃহস্পতিবারই হাজিরার নির্দেশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যেন বাড়ছে ইডির সক্রিয়তা। বিহারের তেজস্বী যাদব (Tejaswi Yadav), ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেনের পর এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর সংস্থার র‍্যাডারে কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেকেসিএ (JKCA) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তলব করল ইডি।

ফারুক আবদুল্লাকে (Farooq Abdullah) ওই আর্থিক তছরুপের মামলায় বৃহস্পতিবারই শ্রীনগরের ইডি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যদিও শ্রীনগরের সাংসদ আজ হাজিরা দেবেন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, ওই একই মামলায় তদন্ত করছে আরেক কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। তারা ইতিমধ্যেই মামলায় একটি চার্জশিট পেশ করেছে। ইডিও মামলায় একটি চার্জশিট পেশ করেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: খাস কলকাতার রাস্তায় মদ্যপের তাণ্ডব, ভ্যানচালককে ধাক্কার পর গাড়ির উপর নাচ যুবকের!]

জেকেসিএ (JKCA) আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালে ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধে প্রথম দফায় চার্জশিট পেশ করা হয়। ওই মামলায় ফারুক ছাড়াও আরও তিন জনের বিরুদ্ধে ২০০২ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ক্রিকেট সংস্থার ৪৩.৬৯ কোটি টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ ওঠে। ইডির দাবি, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফারুক জেকেসিএ থেকে ৪৫ কোটি টাকারও বেশি সরিয়ে ফেলেন।

[আরও পড়ুন: ফের হামলার আশঙ্কা ইডির? এবার শক্তি বাড়িয়ে অভিযান]

এরপর ২০২০ সালে জম্মু-কাশ্মীরে ফারুকের তিনটি বসতবাড়ি, একটি বাণিজ্যিক এবং চারটি জমি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। ওই সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১১.৮৬ কোটি টাকা। ফারুকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একের পর এক পদক্ষেপকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবেই দেখছে তাঁর দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। তাদের বক্তব্য, ৩৭০ ধারা-সহ ভূস্বর্গের একাধিক ইস্যুতে ফারুক বিজেপি সরকারের বিরোধিতা করায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.