সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভগবানের কাছে মানত পূরণ করতে যাওয়ার পথেই সব শেষ। গুজরাটে সেতু বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যার মধ্যে রয়েছেন রমেশ পাধিয়ার, তাঁর দুই সন্তান ভেদিকা এবং নৈতিক।
জানা গিয়েছে, একই পরিবারের চারজন মিলে গ্রামের আরও অনেকের সঙ্গে গুজরাটের ভাবনগর জেলার একটি মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। গুজরাটের মহিসাগর নদীর উপর ভদোদরা ও আনন্দ জেলার সংযোগকারী অত্যন্ত ব্যস্ততম গম্ভিরা ব্রিজটির উপর দিয়ে যাওয়ার সময় সেটি ভেঙে পড়ে। সেখানেই তলিয়ে যায় একের পর এক গাড়ি। যার মধ্যে ছিল রমেশদের ভ্যানটিও। রমেশ ও তাঁর দুই সন্তান তলিয়ে যায়। তবে তাঁর স্ত্রী সোনাল পাধিয়ার কোনও ক্রমে রক্ষা পান। সোনাল জানান, হঠাৎই স্বামী ও সন্তানরা হারিয়ে যায়। তিনি কোনওরকমে সাঁতার কেটে পাড়ে উঠে আসেন। তাঁর অভিযোগ, একাধিকবার সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।
উল্লেখ্য, বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ গাড়ি চলার সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে গুজরাটের এই ব্যস্ততম সেতুটি। যার জেরে একাধিক লরি, গাড়ি ও বাইক নদীতে গিয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেতু ভেঙে পড়ার জেরে দুটি ট্রাক, অটোরিকশা ও গাড়ি নদীতে পড়ে যায়। একটি ট্রাক সেতুর মুখে আটকে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ, দমকলবাহিনী ও ডুবুরি দল। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হলেও, এখনও পর্যন্ত যে খবর পাওয়া গিয়েছে তাতে ১৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এদিকে এই দুর্ঘটনার জেরে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল চারজন ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর মিলেছে।