সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণে বাধা। নিজের পুত্রবধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিল শ্বশুর! হাসপাতালে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই মহিলা। তাঁর শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে পুড়েছেন স্বামীও। গুণধর শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ জেলার রাইরঙপুর শহরে।
[সাধারণতন্ত্র দিবসে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, দিল্লিতে জারি কড়া সতর্কতা]
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম গোপাল খেমকা। শনিবার রাতে পুত্রবধূর সঙ্গে বাড়িতে একাই ছিল সে। অভিযোগ, ফাঁকা বাড়িতে নিজের পুত্রবধূকেই ধর্ষণ করার চেষ্টা করে গোপাল। শ্বশুরকে কুকর্ম করতে বাধা দেন পুত্রবধূ। এরপরই নিজের অপরাধ ঢাকতে ওই মহিলাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে গোপাল। তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয় সে। ঘটনাচক্রে, সেই সময়ে বাড়িতে ঢোকেন অভিযুক্তের ছেলে। স্ত্রীকে বাঁচাতে ছুটে যান। তিনিও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। পরে স্বামী-স্ত্রী দু’জনকেই প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাঁদের স্থানান্তরিত করা হয় জামশেদপুরের একটি হাসপাতালে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত মহিলার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁর শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে।
[সমকাজে সমবেতনের দাবিতে মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদে অধ্যাপিকারা]
এই ঘটনায় শ্বশুর গোপাল খেমকার বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছেন অগ্নিদগ্ধ মহিলার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় রীতিমতো হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, পুত্রবধূ তো মেয়েরই মতো। তাঁর সঙ্গে কীভাবে এ জঘন্য কাজ করতে পারেন শ্বশুর? অভিযুক্তের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা।
[সাপের মুখে অনায়াসে চুমু, তাক লাগাচ্ছে এই যুবকের কীর্তি]