Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি, কাশ্মীরে মুক্তি পেলেন ৫ রাজনৈতিক বন্দি

এখনও মুক্তি দেওয়া হয়নি মুফতি ও আবদুল্লাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯, ১০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯, ১০:১১

options
link
স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি, কাশ্মীরে মুক্তি পেলেন ৫ রাজনৈতিক বন্দি zoom
ফাইল ফোটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় পাঁচ মাস পর সোমবার শ্রীনগরে আটক থাকা পাঁচ রাজনৈতিক নেতা অবশেষে মুক্তি পেলেন। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করার পর থেকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল তাঁদের। তবে এখনও গৃহবন্দি দশা কাটছে না কাশ্মীরের তিন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, তাঁর ছেলে ওমর আবদুল্লা এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সুপ্রিমো মেহবুবা মুফতি। তাঁদের মুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও দিন ধার্য করেনি কেন্দ্র। 

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মুফতি ও অবদুল্লাকে ‘উপযুক্ত সময়েই’ মুক্তি দেওয়া হবে। পাঁচজন প্রাক্তন বিধায়ককে যে বিধায়ক আবাসন থেকে ছাড়া হয়, সেখানেই বন্দি রয়েছেন, ৩০ জনেরও বেশি প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক। মুক্তি পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, ইশফাক জব্বর ও গুলান নবি ভাট (ন্যাশনাল কনফারেন্স), বশির মির (কংগ্রেস), জাহুর মির এবং ইয়াসির রেশি (পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি)। আগস্ট মাসের গোড়ায় ৩৭০ ধারা রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর থেকে উপত্যকায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি শুরু হয়। কারফিউ জারি ছাড়াও বন্ধ করে দেওয়া হয় ফোন পরিষেবা এবং ইন্টারনেট পরিষেবাও। সেই সঙ্গে প্রায় ৪০০ জন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীকে হয় গ্রেপ্তার, না হয় আটক করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতির মতো হেভিওয়েটরাও। তাঁদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হন অনেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই উপত্যকা থেকে ৭২ কোম্পানি সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ৭২ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে ছিল ২৪ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী (Central Armed Police Forces), ১২ কোম্পানি ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি (ITBP), ১২ কোম্পানি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ(CISF) , ১২ কোম্পানি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ, ও ১২ কোম্পানি সশ্বস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তকে অনেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের মত, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত না মিললে অমিত শাহ ঝুঁকি নিয়ে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতেন না।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের ‘মন রাখতে’ কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত বিরোধী অবস্থান সৌদির]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.