সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপজ্জনক মাত্রায় কীটনাশক রয়েছে ভারতে তৈরি হওয়া মশলায়! এই অভিযোগে গত কয়েকদিনে ভারতীয় মশলা নিষিদ্ধ করেছে সিঙ্গাপুর হংকংয়ের মতো দেশগুলো। এই পরিস্থিতিতে এবার ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া’ তথা FSSAI নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে মশলায় ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান খুঁজে বের করার অভিযান শুরু করল। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।
এক ধরনের কীটনাশক মশলায় ব্যবহার করা হয় রাসায়নিক হিসেবে। যার নাম ইথিলিন অক্সাইড। এটি কার্সিওজেনিক বলে পরিচিত। অর্থাৎ যা ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। সেই উপাদান ভারতীয় মশলায় ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা যাচাই করতে এবার আরও নিখুঁত এক পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এমডিএইচ ও এভারেস্টের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় মশলা নির্মাতা সংস্থার বহু পণ্যই নিষিদ্ধ করেছে সিঙ্গাপুর (Singapore), হংকং (Hong Kong)। তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে এদেশেও সমস্ত মশলার নমুনা যাচাই করা হবে।
দেশের খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত ল্যাবরেটরি আইসিএআর-ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ফর গ্রেপস এই পদ্ধতিকে সবুজ সংকেত দিয়েছে। ভারত থেকে অন্য দেশে পাঠানো মশলা, বাইরে থেকে আনা মশলা এবং দেশে ব্যবহারের জন্য যে মশলা তৈরি হয়, সবই যাচাই করে দেখা হবে। বাদ যাবে না প্যাকেটজাত মশলাও। ইতিমধ্যেই দেড় হাজার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বিজয়ের আগাম শুভেচ্ছা! বিপুল প্রশংসায় ভরিয়ে অর্জুন সিংকে বাংলায় চিঠি মোদির]
যদিও আগেই ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, কোনও মশলায় ( Indian spices) কতখানি কীটনাশক মেশানো হবে, সেই নিয়ে ভারতে যথেষ্ট কড়াকড়ি রয়েছে। এই ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে কড়া দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম। জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই কীটনাশক মেশানোর মাত্রায় তারতম্য করা হয়। তবে সিঙ্গাপুর সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে কিছুই বলা হয়নি বিবৃতিতে।
[আরও পড়ুন: অধীরে ক্ষোভ! বাংলার প্রচারে কেন মুখ ফেরালেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা?]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন