Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

এক দশক পর রায়, জয়পুর ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৪

বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিলেন ৮০ জন নিরীহ মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৫:১৫

options
link
এক দশক পর রায়, জয়পুর ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৪ zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় এক দশক পর জয়পুর ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় রায়দান। শুনানি শেষে, বুধবার চার অভিযুক্তকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে জয়পুরের এক বিশেষ আদালত। বেকসুর খালাস পেয়েছে এক অভিযুক্ত।

এদিন, সারভার আজমি, মহম্মদ সইফ, সইফুর রহমান ও সলমান নামের চার অভিযুক্তকে ইউএপিএ, বিস্ফোরণ আইন ও পিডিপিপি আইনে দোষী সাব্যস্ত করে বিশেষ আদালত। আরেক অভিযুক্ত শাহবাজ হুসেন কে প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস দেন বিচারক। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে জয়পুর ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মূলচক্রী আরিজ খান ওরফে জুনেদকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। জঙ্গি সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন’-এর সদস্য জুনেদ, দিল্লি, অহমেদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণেও জড়িত বলে অভিযোগ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সিলমপুরে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ছয় বিক্ষোভকারী, এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা]

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজস্থানের জয়পুর শহর। মানক চক ও কোতওয়ালি থানা এলাকায় ১৫ মিনিটের মধ্যে একের পর এক বিস্ফোরণ হয়েছিল। হাওয়া মহলের কাছে একটি সাইকেলে আরডিএক্স রেখে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে ত্রিপলিয়া বাজার, হনুমান মন্দির, জেহরি বাজার, মানস চক, বাড়ি চৌপল ও চোটি চৌপল এলাকায়। সব মিলিয়ে নিহত হন ৮০ জন নিরীহ মানুষ। আহত হন প্রায় ১৭০ জন। প্রাথমিক তদন্তের পর অভিযোগের আঙুল ওঠে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন হরকত-উল-জিহাদি ইসলামি বা হুজি’র দিকে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.