Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Thalapthy Vijay

বিজয়ের সভায় বন্দুকবাজের হানা, পদপিষ্ট বিপর্যয়ের পর প্রথম জনসংযোগেই বিপাকে অভিনেতা

কারুরের দুর্ঘটনার পর এটাই বিজয়ের প্রথম বড় জনসভা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১৬:৪৮

options
link
বিজয়ের সভায় বন্দুকবাজের হানা, পদপিষ্ট বিপর্যয়ের পর প্রথম জনসংযোগেই বিপাকে অভিনেতা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিভিকে প্রধান বিজয়ের সমাবেশের শুরুতে ব্যাপক নিরাপত্তার সমস্যা। কারুরে পদপিষ্টের ঘটনার পরে মঙ্গলবারই প্রথম মিছিউল করতে চলেছেন থলপতি বিজয়। এর ঠিক আগেই সমাবেশে ঢোকার চেষ্টা করার সময় এক বন্দুকধারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারুরের দুর্ঘটনার পর এটাই অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের এটাই প্রথম বড় জনসভা।

জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম ডেভিড। তিনি সংগঠনের পুদুচেরি জেলা সম্পাদকের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী বলে দাবি করা হয়েছে। ওই বন্দুকধারীকে সমাবেশে ঢোকার করার আগেই পুলিশ আটক করে। যদিও, ধৃতের দাবি বিজয়ের ক্ষতি করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিছুদিন আগেই, বিজয় একটি মিছিলের অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ডিজিপি বলেন, মিছিলের অনুমতি দেওয়া যাবে না। বদলে তিনি বিজয়কে জনসভার করার জন্য অনুরোধ করেন। এর পরেই, জনসভাকে ঘিরে পুদুচেরি প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই জনসভায় উপস্থিতির সংখ্যা ৫হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি, জনসভায় প্রবেশের জন্য কিউআর কোডযুক্ত পাস থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই জনসভা নিয়ে আয়োজকদের কোনও সীমা অতিক্রম না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিছুদিন আগেই তামিলনাড়ুর কারুরে অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক মিছিলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশ। এই সভাস্থলে ১০ হাজার মানুষ আসতে পারেন বলে অনুমান করেছিল কর্তৃপক্ষ। তবে বাস্তবে দেখা যায়, সেখানে ২৭ হাজারের বেশি মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিজয়ের অপেক্ষায় সকাল থেকে এত মানুষ হাজির হলেও, বিজয় এসে পৌঁছন সন্ধ্যা ৭টায়। দীর্ঘক্ষণ সাধারণ মানুষ ক্ষুদার্থ তৃষ্ণার্ত অবস্থায় থাকলেও কোনওরকম ব্যবস্থা করা হয়নি কর্তৃপক্ষের তরফে। এই অবস্থায় বিজয় সেখানে প্রবেশ করার পর ভাষণ দিতে শুরু করলে সামনের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে জনতা। মুহূর্তে পরিস্থিতি গুরুতর আকার নেয়। ভিড়ের চাপে অজ্ঞান হয়ে পড়েন বহু মানুষ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৪০ জনের, আহত হন আরও শতাধিক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.