Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

গো-মাংস পছন্দ করার তালিকায় হিন্দুরা চতুর্থ!

ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভের তথ্য উদ্ধৃত করে জানাচ্ছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০১৭, ০৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০১৭, ০৬:২৭

options
link
গো-মাংস পছন্দ করার তালিকায় হিন্দুরা চতুর্থ! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক :  গো-মাংস ভক্ষণ? নৈব নৈব চ। অন্তত এই জমানায় তো নয়ই। গো-রক্ষকের জুজু আছে না? তবে তত্ত্ব এক কথা বলে, আর তথ্য বলে অন্য কথা। হিন্দুস্তান টাইমস সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট জানাচ্ছে গো-মাংস হিন্দুদের খাবারের একেবারে ওপরের তালিকায় না থাকলেও, পছন্দের তালিকায় অবশ্যই আছে। এমনকি, গো-মাংস খাওয়ার দৌড়ে চার নম্বরে রয়েছে হিন্দুরা।

[মদ বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল কেরলের বাম সরকার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হিন্দুস্তান টাইমস যে সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার উৎস খোদ এনএসএসও। ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিসের সমীক্ষা জানাচ্ছে,  ভারতের আট কোটি মানুষ গরু অথবা মোষের মাংস খায়। এর মধ্যে এক কোটি ২৫ লাখ হিন্দু রয়েছেন। তার মানে প্রতি ১৩ জন ভারতীয়ের মধ্যে একজন গো-মাংস খাচ্ছেন।

chart

এনএসএসও ২০১১ থেকে ২০১২ সালে এক লাখ এক হাজার পরিবারের ওপর এই সমীক্ষাটি করে। দেখা গিয়েছে, নয় হাজার ৭১১টি পরিবার গো-মাংস খায়। মুসলমান, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের বেশির ভাগ মানুষ গো-মাংস খান। হিন্দুদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি তফসিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ, নিম্নবর্ণের ২১ শতাংশ এবং উচ্চবর্ণের মাত্র ৭ শতাংশ এই মাংস খেতে পছন্দ করেন। বিভিন্ন রাজ্যে গো-মাংস খাওয়া মানুষদের সংখ্যায় পার্থক্য আছে। জম্মু ও কাশ্মীরের মতো মুসলিম অধ্যুষিত রাজ্যের চেয়ে মেঘালয়ে গো-মাংস খাওয়া মানুষের  সংখ্যা বেশি। সেখানে জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ গো-মাংস খায়। এরপর বৃহত্তর রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর, কেরালা, অসম ও পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে।

[রাস্তায় নেমে দার্জিলিংয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের আশ্বস্ত করলেন মমতা]

তবে হিন্দুস্তান টাইমস-এর এই রিপোর্ট প্রকাশের সমালোচনা করেছে আরেকটি সংবাদমাধ্যম পোস্টকার্ড। তাদের মতে সংবাদটি অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। হিন্দু ধর্মকে কালিমালিপ্ত করার জন্যই এই সংবাদটি সর্বসমক্ষে আনা হয়েছে। সে যাই হোক না কেন, খাওয়া নিয়ে বাছবিচার বাদ দিয়ে শুধু পছন্দের খবরের উপরই জোর দেওয়াটা শ্রেয়, নয় কি?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.