সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকাল ট্রেনে প্রথম দেখা। সেখান থেকে বন্ধুত্ব-প্রেম, পরে শারীরিক সম্পর্ক। বেশ চলছিল। কিন্ত বাধ সাধল প্রেমিকের পরিবার। সমকামী (Homosexuality) সম্পর্ক থেকে ছেলেকে বের করে আনতে ধরে বেঁধে বিয়ে দিয়ে দেন। এরপরই পুরনো প্রেমকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বউকে নিয়ে সুখী দাম্পত্য যাপন করেছিলেন। কিন্তু সেই সুখী দাম্পত্য পুরনো প্রেমিকের চোখের বালি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যাখানের জ্বালায় বারবার অশান্তি করত পুরনো সঙ্গী। তাই বউয়ের কাছে সমকামী সম্পর্কের রহস্যফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে পুরনো প্রেমিককে খুন করল আরেক সঙ্গী। শুধু তাই নয়, সুটকেসে দেহ ভরে পাচার করার চেষ্টাও করে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) হাতে ধরা পড়ে গেল সেই খুনি।
দিন কয়েক আগে ডোম্বিভেলি রেললাইনের পাশ থেকে সুটকেসে ভরা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত। প্রথমদিকে খুনের মোটিভ আর খুনিকে ধরতে রীতিমতো নাজেহাল হয়ে যায় পুলিশ। জানা যায়, সুটকেসের মধ্যে থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৭ বছরের প্রৌঢ়ের নাম উমেশ প্যাটেল। এরপর নঘণ্টার তদন্তে পুলিশের সামনে পুরোটা পরিস্কার হয়ে যায়। উঠে আসে এক ত্রিকোণ সমকামী সম্পর্কের গল্প।
[আরও পড়ুন : আগামী সূর্যগ্রহণেই কি করোনার বিদায়? ভারতীয় বিজ্ঞানীর দাবিতে চাঞ্চল্য]
উমেশের সঙ্গে ট্রেনযা্ত্রায় আলাপ হয়েছিল প্রফুল্ল পাওয়ারের। এরপর বন্ধুত্ব। বাড়িতে যাতায়াত ও পরে প্রেম। এমনকী শারীরিক সম্পর্কও। কিন্তু কিছুদিন আগে প্রফুল্ল বিয়ে করে। এরপরই উমেশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। প্রফুল্লর স্ত্রী বাড়িতে না থাকার সুযোগে দিন দুয়েক আগে তাঁদের বাড়িতে আসে উমেশ। দুজনের তুমুল অশান্তি হয়। আর তখনই গলায় ফাঁস দিয়ে উমেশকে খুন করে প্রেমিক প্রফুল্ল। পরে সুটকেসে ভরে দেহটি রেললাইনের ধারে ফেলে দিয়ে আসে। যদিও খুনিকে পাকড়াও করেছে মুম্বই পুলিশ।