Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘ড্রাগন’ বধে ভারতের হাতে আসছে বিধ্বংসী ‘গ্লাইড বম্ব’   

জানেন, কতটা মারাত্মক এই বোমা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১২:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১২:৪৪

options
link
‘ড্রাগন’ বধে ভারতের হাতে আসছে বিধ্বংসী ‘গ্লাইড বম্ব’    zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হালকা ওজনের গ্লাইড বম্ব। তৈরি দেশীয় প্রযুক্তিতে। শুক্রবার তারই সফল পরীক্ষা সারল ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। বায়ুসেনা ও ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

[বিশ্বমানের সেনা গড়বে চিন, হামলার আশঙ্কায় প্রতিবেশীরা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন ওড়িশার চাঁদিপুরে এই পরীক্ষা করা হয়। বিভিন্ন পাল্লা ও বিভিন্ন পরিবেশে তিনবার আলাদা করে পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়। বায়ুসেনার বিমান থেকে গ্লাইড বম্ব ছোড়া হয়। নিখুঁতভাবে ৭০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সফল হয়েছে সেটি। এই সাফল্যের জন্য এসএএডব্লু-কে খুব শীঘ্রই সেনার অস্ত্রভাণ্ডারে মজুত করা হবে বলে দাবি ডিআরডিও চেয়ারম্যান ড. এস ক্রিস্টোফারের। মিসাইলস অ্যান্ড স্ট্র‌্যাটেজিক সিস্টেম বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল ড. জি সতীশ রেড্ডিও এই পরীক্ষাকে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তিব্বতে চিনা বিমানঘাঁটি ও পাকিস্তানকে নজরে রেখে ‘গ্লাইড বম্ব’ তৈরি করা হয়েছে। শত্রুপক্ষের বিমানঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্যই বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই বোমা। প্রায় ১০০ কিমি পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম ‘গ্লাইড বম্ব’। এই বোমার আঘাতে রানওয়ে বা বিমান উঠা-নামার রাস্তা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। ফলে কার্যত অকেজো হয়ে পড়বে শত্রুপক্ষের বায়ুসেনা ঘাঁটি।

সম্প্রতি ডোকলাম নিয়ে চিনের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে আশঙ্কা ছিল পাক হানারও। ফলে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ভারতীয় বাযুসেনাকে। ইতিমধ্যে তিব্বতে বেশ কয়েকটি বায়ুসেনা ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে চিন। সেখানে অত্যাধুনিক ‘জে-১০’ ও ‘জে -১১’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে লালফৌজ। একই সঙ্গে পাঞ্জাব ও কাশ্মীরে সীমান্তের ওপারে রয়েছে পাকিস্তানে বায়ুসেনা ঘাঁটি। ফলে অরুণাচল প্রদেশ, অসম, পাঞ্জাব ও কাশ্মীরে একই সময়ে হামলা হতে পারে। তাই যুদ্ধের শুরুতেই বিমান ঘাঁটিগুলি অকেজো করে শত্রুপক্ষকে পঙ্গু করে দেওয়ার পন্থা নিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাজে আসেব ‘গ্লাইড বম্ব’। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায় মোতায়েন করা হবে অত্যাধুনিক রাফালে যুদ্ধবিমান। একই সঙ্গে অসমের তেজপুর ও চাবুয়ায় রয়েছে ভয়ঙ্কর সুখোই যুদ্ধবিমান। তাই এবার গ্লাইড বোমার আঘাতে  ‘ড্রাগন’-এর থাবা গুঁড়িয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত দিল্লি।

[স্বল্প দিনের নোটিসেও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে প্রস্তুত বায়ুসেনা, ফের হুঁশিয়ারি ধানোয়ার]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.