Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Corona

‘শপিং মল খুললে, মন্দির কেন খোলা হবে না?’, মহারাষ্ট্র সরকারকে প্রশ্ন রাজ ঠাকরের

কোভিড মোকাবিলায় উদ্ধব ঠাকরে ব্যর্থ, তোপ রাজের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২০, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২০, ১৭:৩২

options
link
‘শপিং মল খুললে, মন্দির কেন খোলা হবে না?’, মহারাষ্ট্র সরকারকে প্রশ্ন রাজ ঠাকরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ দেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। রাজ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে। এই পরিস্থিতিতেও মন্দির খোলার পক্ষেই সওয়াল করলেন এমএনএস প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray)। তাঁর প্রশ্ন, শপিং মলগুলো খোলা হলে, মন্দির কেন খোলা যাবে না?‌

[আরও পড়ুন: সীমান্ত সমস্যার সমাধানের ইঙ্গিত! উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত ও নেপাল]

দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার পর আনলক পর্যায়ে ধীরে ধীরে সবকিছু খোলার পথে মহারাষ্ট্র সরকার। শপিং মলগুলো খোলার অনুমতি দিলেও কোনওরকম ধর্মীয়স্থান খোলার উপর জারি রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই অবস্থায় বিভিন্ন মন্দিরের আশপাশে ছোটখাট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পুরোহিত, অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। আর সেই সমস্যার কথা জানাতেই মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার (Maharashtra Navnirman Sena) প্রধান রাজ ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেন নাসিকের ত্রিম্বকেশ্বর (Trimbakeshwar) মন্দিরের দশজন পুরোহিত। তাঁদের অসুবিধার কথা সমস্তটাই শোনেন রাজ ঠাকরে। জানতে চান, মন্দির খুললে করোনা সংক্রান্ত নিয়মগুলো পালন কীভাবে করা হবে?‌ এই বিষয়েও। এরপরই মহারাষ্ট্র সরকারের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, ‘‌‘‌যদি সরকার শপিং মল এবং অন্যান্য সমস্ত কিছু খোলার অনুমতি দিচ্ছে তাহলে কেন তাঁরা মন্দির খুলে দিচ্ছে না।’‌’‌

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: গণধর্ষণের পর শরীরে সিগারেটের ছেঁকা! যোগীর গড় গোরক্ষপুরেই পাশবিক নির্যাতন কিশোরীকে]

তবে শুধু রাজ ঠাকরে নন, এর আগে সম্প্রতি এনসিপি বিধায়ক রোহিত পওয়ারও (Rohit Pawar) মন্দির খোলার পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর মতে, মার্চ থেকে মন্দির বন্ধ। আর তাই মন্দিরের আশপাশে থাকা ছোট–ছোট ব্যবসায়ীদের অনেকটাই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। আর তাই তিনিও মন্দির খুলে দেওয়ার কথা বলেন। এছাড়া জৈন সম্প্রদায়ের মানু্ষরাও রাজ্যের জৈন মন্দিরগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আদালতে পিটিশনও জমা দিয়েছিল। যদিও রাজ্য হলফনামায় সাফ জানিয়ে দেয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই রাজ্যের কোনও ধর্মীয় স্থানই খোলা হবে না। সামনেই আসছে গণেশ চতুর্থী। এখন দেখার সেই সময় মন্দির সংক্রান্ত নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কি না উদ্ধব সরকার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.