Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Indore

মেয়ের মন বোঝে শুধু মা, বয়ঃসন্ধিকালে তাঁর কাছেই থাকবে সন্তান, পর্যবেক্ষণ আদালতের

সন্তানের হেফাজত নিয়ে মামলায় মন্তব্য বিচারকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৩, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৩, ১৮:০০

options
link
মেয়ের মন বোঝে শুধু মা, বয়ঃসন্ধিকালে তাঁর কাছেই থাকবে সন্তান, পর্যবেক্ষণ আদালতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেয়ের মন বুঝতে পারেন কেবল একজন মা। বয়ঃসন্ধিকালে মায়ের কাছেই থাকলে শিশুকন্যা ভাল ভাবে বেড়ে ওঠে। ১০ বছরের সন্তানের হেফাজত নিয়ে একটি মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ইন্দোরের একটি আদালতের।

২০২১ সালে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক যুগলের। যদিও তাঁরা বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই আলাদা থাকছিলেন। শিশুকন্যা ছিল বাবার কাছে। ২০১৯ সালে মেয়েকে পেতে মামলা করেন তরুণী। তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর মেয়ের বয়স দশ বছর। এটা বয়ঃসন্ধিকাল। এই সময় শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন হয় মেয়েদের। হাজারটা ভয় এবং কৌতূহল জন্মায় মনের মধ্যে। মায়ের মতো কোনও একজন মহিলা সঙ্গীকে কাছে পেলে উপকৃত হবে শিশু।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: তরুণীর মৃত্যুর পর ফের মর্মান্তিক পরিণতি! বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টির জমা জলে প্রাণ গেল যুবকের]

কার্যত মায়ের এই দাবি মেনে নিয়েছে আদালত। তবে সপ্তাহে একবার বাবা দেখা করতে পারবেন শিশুর সঙ্গে। এছাড়াও উৎসব-পার্বণে মেয়ের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন তিনি। যদিও মাকে জানিয়েই এই কাজ করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিচারক। উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল পারিবারিক আদালতের প্রধান বিচারপতি প্রবীণা বিয়াস একটি নির্দেশ জানিয়েছিলেন, বয়ঃসন্ধিকালে মায়ের কাছে থাকলেই শিশুকন্যার ভাল ভাবে বেড়ে উঠবে। যেহেতু মেয়ের মন বুঝতে পারেন একজন মা।

[আরও পড়ুন: ‘মোদিই ভারতের সবচেয়ে দৃশ্যমান নেতা’, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নোবেলজয়ী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.