সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর দিন অযোধ্যায় জঙ্গি হামলার ছক কষছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)। এই জন্য তারা লস্কর-ই-তইবা ও জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বকে নির্দেশ দিয়েছে বলেই সতর্ক করলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ আগস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের জন্য পাকিস্তানের কালা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল ইমরানের সরকার। এর মধ্যেই ঘোষণা হয় যে ওইদিনই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো হবে। যে অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিশিষ্টরা। এই খবর শোনার পরেই নড়েচড়ে বসে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তারপর থেকেই আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে লস্কর ও জইশ জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে। মূলত ছোট ছোট দল তৈরি আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি ভিড় এলাকায় আইইডি (IED) বিস্ফোরণেরও ছক রয়েছে তাদের। এর জন্য জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে তাদের ভারতে অনুপ্রবেশ করানোর ছক কষছে আইএসআই।
[আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে জ্বালানি ভরল রাফালে, প্রযুক্তির চূড়ান্ত নিদর্শন ফরাসি যুদ্ধবিমানের ]
সোমবার গোয়েন্দাদের কাছ থেকে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশকে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। রাম লালার অস্থায়ী মন্দিরে এক ব্যাটেলিয়ান সিআরপিএফ (CRPF)ও মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে পাকিস্তানের পাঁচ জন জঙ্গিকে অযোধ্যায় সংলগ্ন এলাকায় খতম করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। রাম মন্দির এলাকায় তাদের বড়সড় জঙ্গি হামলা চালানোর ছক ছিল বলে জানা যায়। গত বছরও হামলার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে প্রয়াগরাজের আদালতে চার জনকে যাবজ্জীবনের সাজা শোনানো হয়েছে। এবার গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তার পর রাম মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।
[আরও পড়ুন: উলটো সুর! ৩৭০ ধারা এবং ‘পূর্ণ রাজ্যে’র মর্যাদা ফেরানোর দাবিতে সরব কাশ্মীরি পণ্ডিতরাই]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন