সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল এক্সপ্রেস: রামায়ণের পর এবার ‘রামসেতু এক্সপ্রেস’ চালাচ্ছে রেল। ট্রেনটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে অবশ্য আইআরসিটিসি। ধর্মীয় ঐতিহ্যের মোড়কে তৈরি এই ট্রেনটি রেলের ভারত দর্শনের অঙ্গ। রেল তীর্থযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন রুটে বিশেষ কিছু ট্রেন চালানো শুরু করেছে কয়েক বছর ধরে। রামসেতু তারই একটি। তামিলনাড়ুর ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও দেবস্থান ঘুরে দেখানোর ব্যবস্থা করেছে রেলের কর্পোরেট এই সংস্থা।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ের তম্বারম থেকে রাত সওয়া বারোটার সময় ট্রেনটি ছাড়বে তীর্থযাত্রীদের নিয়ে। এক-একটি দর্শনীয় জায়গায় যাওয়ার জন্য সড়কপথের যাত্রার খরচ থেকে নিরাপত্তা ও নিরামিষ খাওয়া সব খরচই ধরা থাকবে প্যাকেজে। চারদিনের জন্য মাথাপিছু খরচ ৪,৮৮৫ টাকা। তম্বারম থেকে ট্রেনটি যাত্রা করে আবার সেখানেই ফিরে আসবে ৩ মার্চ। ট্রেনটি নন এসি হলেও স্বাচ্ছন্দ্যে কোনওরকম খামতি রাখছে না রেল। থাকছে প্যান্ট্রি কারও। ট্রেনটি তম্বারম থেকে যাত্রা শুরু করলেও চেঙ্গালপেট, তিনডিভানম, ভিল্লুপুরম, বৃধাচলম স্টেশনগুলি থেকে তীর্থযাত্রীরা ট্রেনটিতে চড়তে পারবেন। প্যাকেজে ভ্রমণস্থানের মধ্যে থাকছে শ্রীরঙ্গম, তিরিচি, রামেশ্বর, মাদুরাই, তাঞ্জোর, কুম্ভকোমন। বেশ কয়েক বছর ধরে আইআরসিটিসি তীর্থযাত্রীদের জন্য তীর্থভ্রমণের বিশেষ ব্যবস্থা করছে। যার মধ্যে এই রামসেতু এক্সপ্রেসটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেনটিকে ভগবান রামের নানা প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানোর পাশাপাশি তামিলনাড়ুর গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরের ছবি রাখা থাকছে। রেল জানিয়েছে, ইচ্ছুক তীর্থযাত্রীদের বিশেষ সুবিধা দিতেই এই ব্যবস্থা।
[সেনার সঙ্গী এবার রেলের ‘হামসফর’, শুরু যুদ্ধের প্রস্তুতি]
রেল সূত্রে জানা গেছে, রামেশ্বরম মন্দির দর্শনের পাশাপাশি সমুদ্র ও ২১টি তীর্থকুণ্ডে স্নানের ব্যবস্থাও থাকছে। মাদুরাইয়ে তীর্থযাত্রীদের মীনাক্ষ্মী মন্দিরের পাশাপাশি সুনন্দেশ্বর মন্দিরও দর্শন করানো হবে। তাঞ্জোরে দেখানো হবে ইউনেস্কোর তরফে ঘোষিত বৃহদেশ্বর মন্দির। আর কুম্ভকোনমে বিখ্যাত নবগ্রহ মন্দির। আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে টিকিট কাটার পাশাপাশি তাদের পর্যটক সহায়তা কেন্দ্র, জোনাল এবং রিজিওনাল অফিস থেকেও আপনি টিকিট কাটতে পারেন।