সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আল বদর জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের জম্মু ও কাশ্মীরে ফিঁদায়ে হামলার নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)। তাই সীমান্তের ওপার থেকে অনেক জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বলে সতর্ক করলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। শুধু তাই নয়, এই কাজে পাকিস্তানকে চিন সাহায্য করছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে।
সম্প্রতি ভারতীয় গোয়েন্দাদের তরফে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লাদাখে চিন ও ভারতের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। এর জন্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় আল বদর (Al-Badr) জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থাও করেছে সেদেশের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আর এই কাজে তাদের পুরোপুরি মদত দিচ্ছে চিন। কয়েকদিন আগে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি শিবিরে গিয়ে চিনের কয়েকজন আধিকারিক আল বদর জঙ্গিগোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনাও করেছে। এমনকী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সমস্ত খরচও দিচ্ছে। আর আল বদরের পাশাপাশি পাকিস্তানের মদতপুষ্ট অন্য জঙ্গি সংগঠনগুলিকেও এই কাজে লাগানো হচ্ছে। সমস্ত জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে সমন্বয়ের জন্য আইএসআই টিআরএফ (TRF) নামে একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ধর্ষকদের হুমকির জেরে কুয়োতে মরণঝাঁপ হিন্দু কিশোরীর]
ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কাশ্মীর সীমান্তের ওপারে থাকা পাকিস্তানের জঙ্গি লঞ্চিং প্যাডগুলিতে আল বদরের প্রচুর সদস্যকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে দুধনিয়াল লঞ্চিং প্যাডে জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammad), লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) ও আল বদর জঙ্গি সংগঠনের ৮৫ জন সদস্য ভারতে অনুপ্রবেশ করে ফিঁদায়ে হামলা চালানোর ছক কষছে। এছাড়া তাংধার সেক্টরের ওপারে ২২ জন এবং ত্রাল সেক্টরের ওপারে ৬৪ জন জঙ্গি রয়েছে।
[আরও পড়ুন: ৬ দশক ধরেই অরুণাচল ভারতের অংশ, বেজিংয়ের দাবি উড়িয়ে জানাল আমেরিকা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন