সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত কেন্দ্রীয়মন্ত্রী মাধবরাও সিন্ধিয়ার ৭৫ জন্মদিনে তাঁর ছেলের ‘ঘর ওয়াপসি’ হল। মঙ্গলবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার বিজেপি(BJP) তে যোগদানের জল্পনা উসকে দিয়ে এই মন্তব্যই করলেন তাঁর পিসি ও বিজেপি বিধায়ক যশোধরা রাজে সিন্ধিয়া। দেশের স্বার্থেই জোতিরাদিত্য কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
Yashodhara Scindia, BJP leader & aunt of Jyotiraditya Scindia: I am very happy and congratulate him. This is ‘ghar vapasi’. Madhavrao Scindia had started his political career with Jan Sangh. Jyotiraditya was being neglected in Congress. pic.twitter.com/m3Rtml7XrE
Advertisement— ANI (@ANI) March 10, 2020
দেশব্যাপী যখন মধ্যপ্রদেশ সরকারের টানাপোড়েন নিয়ে শোরগোল চলছে। কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কবে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী হবেন তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তখন তাঁর এই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তাঁর পিসি ও বিজেপি নেত্রী যশোধরা রাজে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজমাতা বিজয়া রাজে সিন্ধিয়া জনসংঘ ও বিজেপি প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও তাঁর বাবা মাধবরাও সিন্ধিয়া সম্পর্কে বিজেপির নেতা-কর্মীদের মনে প্রচুর শ্রদ্ধা আছে। একসময়ে মাধবরাও সিন্ধিয়া জনসংঘের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তাই জ্যোতিরাদিত্য বিজেপিতে যোগ দিলে তা ঘর ওয়াপসি হবে। এতে আমি খুব খুশি হয়েছি। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তাতে রাজমাতা বিজয়া রাজে সিন্ধিয়া সম্পর্কে তাঁদের শ্রদ্ধাই প্রকাশ পায়।’
[আরও পড়ুন: বিকেলেই কি গেরুয়া শিবিরে জ্যোতিরাদিত্য? জোর জল্পনা রাজনীতির অন্দরে ]
২০১৮ সালে কমলনাথ মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই কংগ্রেসের কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। তাঁকে নাকি অসম্মানও করা হচ্ছিল। এই অভিযোগ জানিয়ে যশোধরা রাজে আরও বলেন, ‘দিনের শেষে প্রত্যেকের কাছেই নিজের সম্মান খুব দামি। কিন্তু, কংগ্রেসে থেকে তা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছিল না জ্যোতিরাদিত্যের পক্ষে। অন্যদিকে বিজেপি সবসময় তাঁদের পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে গিয়েছে। এই জন্যই মাধবরাও সিন্ধিয়া যখন গোয়ালিয়র থেকে ভোটে দাঁড়াতেন তখন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী দিত না বিজেপি। জ্যোতিরাদিত্য সম্পর্কেও আমাদের মনে সেই শ্রদ্ধা রয়েছে।’