সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হবু সন্তানের মঙ্গলের জন্য আশীর্বাদ চাইতে জৈন সাধুর কাছে ছুটে গিয়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু আশীর্বাদের বদলে সেই সাধুই অভিশাপ হয়ে নেমে এল তাঁর জীবনে। রাজস্থানের করৌলিতে জৈন সাধুর যৌন লালসার শিকার অন্তঃসত্ত্বা বধূ। অভিযোগের ভিত্তিতে সাধুকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় পুলিশের। সাধুবাবার ডেরা থেকে উদ্ধার কন্ডোম, পর্ন ভিডিও ভরতি পেনড্রাইভ, হার্ড ডিস্ক।
কারৌলির হিন্ডনের এক জৈন আশ্রমে থাকে সাধু আচার্য সুকোমলনন্দী। সেখানে ভাবী সন্তানের জন্য আশীর্বাদ চাইতে ননদের সঙ্গে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। অভিযোগ, শুরু থেকেই গৃহবধূকে নিজের ঘরে একা ডেকে সাধু তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ শুরু করে। এরপর ঘরে ওই গৃহবধূর ননদ ঢুকলে, খেপে যায় সে। তাঁকে টেনেহিঁচড়ে ঘর থেকে বের করে তারপর গৃহবধূর উপর লাগাতর যৌন নির্যাতন চলে বলে অভিযোগ। এমনকী সাধু হুমকি দেয়, এসব বাইরে প্রকাশ করে দিলে নিজের ক্ষমতাবলে গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি করবে সে। এসব সত্ত্বেও ভয় পাননি ওই গৃহবধূ। বাড়ি ফিরে তিনি সাধুর কুকীর্তির কথা পরিবারের কাছে বলেন। অভিযোগ দায়ের করা হয় স্থানীয় থানায়।
[আরও পড়ুন: ফের কড়া লকডাউনের পথে দেশ! কী চাইছে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত রাজ্যগুলি?]
অভিযোগের ভিত্তিতে হিন্ডনের ওই জৈন আশ্রমে হানা দেয় পুলিশ। সাধুবাবার ডেরায় গিয়ে রীতিমত তাজ্জব বনে যান পুলিশকর্তারা। সেখানে একটি বস্তা পাওয়া যায়। বস্তাটি খুলতেই বেরিয়ে আসে প্রচুর কন্ডোমের প্যাকেট, ১৯টি মোবাইল, ২টি ল্যাপটপ। সেইসঙ্গে অজস্র পেনড্রাইভ, হার্ড ডিস্ক। প্রত্যেকটিই ভরতি পর্নছবিতে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাধুকে। কারৌলির পুলিশ সুপার অনিল শর্মা বলেন,”ওই সাধুর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার এবং ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ও ৩৭৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।” সাধুকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর এলাকায় সাময়িক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, পুলিশ পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনে।