Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

শীর্ষ নেতাদের চাপেও দমছেন না সিন্ধিয়া, ফের কমলনাথের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার হুমকি

এবার কি দল ছাড়বেন রাহুল ঘনিষ্ঠ এই নেতা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ১৭:৪২

options
link
শীর্ষ নেতাদের চাপেও দমছেন না সিন্ধিয়া, ফের কমলনাথের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার হুমকি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। বাকি ছিল প্রকাশ্যে আসা। এবার আর ঢাক ঢাক গুরগুর না করে শুক্রবার থেকেই মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যেই শুরু হয়েছে কংগ্রেসের গৃহযুদ্ধ। মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ ঢিল মারলে, পালটা পাটকেলটি তাঁর জন্য জোগাড় করে দিচ্ছেন তাঁরই সহকর্মী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া(Jyotiraditya Scindia)। রবিবার আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার হুমকি দিলেন জ্যেতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তাঁকে বোঝাতে দলের অন্দরে চেষ্টা চললেও তার কোনও প্রতিফলন সিন্ধিয়ার ব্যবহারে দেখা গেল না। বেফাঁস মন্তব্যের পর সিন্ধিয়াকে থামাতে দিল্লি থেকে আলোচনা চেষ্টা চালানো হয়। তবে শনিবারের সেই বৈঠকে আলোচনার মাঝপথেই সেখান থেকে চলে যান সিন্ধিয়া।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের (Kamal Nath) তিরস্কারও তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। সকল তিরস্কার, চাপকে অগ্রাহ্য করে স্বয়ং দলের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার হুমকি দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দেশবাসীর সামনে নিজের পরিচয় দেন “জনগনের দাস” হিসেবে। তাই মধ্যপ্রদেশে দলের তৈরি করা ইস্তেহারের সঙ্গে যখন তাদের কাজের বিস্তর ফারাক তাঁর চোখে পড়ে, তখনই খড়গহস্ত হয়ে রাস্তায় নেমে জনগনকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার দায় একার কাঁধেই তুলে নিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। রবিবারই গোয়ালিওয়র থেকে প্রকাশ্যে তিনি জানান, ” আমি জনগনের দাস এটাই আমার পরিচয়। ওদের হয়ে কাজ করাটাই আমার ধর্ম। একটি কাজ সম্পূর্ণ করতে বা কোনও দাবি পূরণ করতে আমরা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি তবে, সেই দাবি যদি পূরণই না হয় তাহলে রাস্তায় নেমে দলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেও পিছপা হব না।” সিন্ধিয়ার এই হুমকিকে অবশ্য তোয়াক্কা করছেন না কমলনাথ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: নির্ভয়া কাণ্ডে ফের জারি মৃত্যু পরোয়ানা, ৩ মার্চ চার দোষীর ফাঁসি]

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মধ্যপ্রদেশের টিকামগড়ে। সেখানের শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সোচ্চার হন ও কমলনাথকে শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করার কথাও বলেন। প্রত্যুত্তরে কমনলাথ জানান, “যে কোনও ইস্তেহারের সময়সীমা ৫ বছরের জন্য ৫ মাসের জন্য নয়। এই বিষয়টা জ্যোতিরাদিত্যর মনে রাখা প্রয়োজন।” কমলনাথ আরও জানান, “মধ্যপ্রদেশের জন্য যে ইস্তেহারটি প্রস্তুত করা হয়েছিল, তার বেশিরভাগই পূরণ করা হয়েছে।” ২০১৮-র ডিসেম্বরে প্রস্তুত করা এই ইস্তেহার প্রসঙ্গে মধ্যপ্রদেশের আরেক প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সহ দিগ্বিজয় সিংও কমলনাথের সুরেই সুর মেলান। তিনি জানান, মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস তাদের ইস্তেহার মেনেই অধিকাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে সমর্থ হয়েছে। এখন দেখার এই মধ্যপ্রদেশেই এই দ্বন্দ্বের ইতি টানা যাবে নাকি ফের এর জল গড়াবে সুদূর দিল্লি পর্যন্ত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.