Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Karnataka

‘আজানের আওয়াজ মাথাব্যথার, আল্লা কি বধির?’, বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

লাউডস্পিকারে আজান দেওয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন বিজেপি বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৩, ১৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৩, ১৫:৫০

options
link
‘আজানের আওয়াজ মাথাব্যথার, আল্লা কি বধির?’, বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলিম সম্প্রদায়ের ‘আজান’ নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে কর্ণাটকের বিজেপি বিধায়ক কেএস এশয়ারাপ্পা। তাঁর দাবি, আল্লা হয়তো বধির। সেই কারণেই মসজিদে লাউডস্পিকার লাগিয়ে আজান দেওয়া হয়! শুধু তাই নয়, তাঁর দাবি, আজান রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

লাউডস্পিকারে আজান দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিতর্ক উসকেছে। এবার নতুন করে সেই বিতর্কেই যেন ঘি ঢাললেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কেএস এশয়ারাপ্পা (KS Eshwarappa)। সম্প্রতি মসজিদের কাছে এক জনসভায় ভাষণ রাখছিলেন তিনি। তখনই লাউডস্পিকার থেকে ভেসে আসে আজানের শব্দ। এর প্রতিক্রিয়াতেই বিজেপি বিধায়ক বলে দেন, “আমি যেখানেই যাই, এর (আজান) জন্য মাথাব্যথা হয়।” এরপরই কার্যত হুঙ্কারের সুরেই বলেন, আজান নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় এখনও প্রকাশ হয়নি। তবে আজ নয়তো কাজ এই আজানের ইতি ঘটবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দম থাকলে গোধরা ফাইলস করে দেখান’, বিবেক অগ্নিহোত্রীকে কড়া আক্রমণ কুণাল ঘোষের]

এখানেই থামেননি তিনি। আল্লা কি বধির? সে প্রশ্নও তুলে দেন। “মন্দিরে মহিলারা প্রার্থনা করে, ভজন করে। আমরাও ধর্ম মানি। কিন্তু তার জন্য লাউডস্পিকার ব্য়বহার করতে হয় না। প্রার্থনার জন্য লাউডস্পিকার ব্যবহারের মানে হল আল্লা বধির।” এরপরই যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আমাদের সব ধর্মকে সম্মান করতে শিখিয়েছেন। কিন্তু একটা কথা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হচ্ছি। মাইক্রোফন ব্যবহার না করলে কি আল্লা শুনতে পান না?” স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে শীর্য আদালত জানিয়েছিল, রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে শব্দদূষণকে তুলে ধরা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে গুরুতর অসুস্থ যাত্রী, পাকিস্তানে জরুরি অবতরণ ইন্ডিগো বিমানের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.