Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরিয়া হওয়ার পথে কাশ্মীর, বিস্ফোরক দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির

দ্রুত ছড়াচ্ছে জেহাদের জাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১৪:০২

options
link
সিরিয়া হওয়ার পথে কাশ্মীর, বিস্ফোরক দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাড়াতাড়ি মৌলবাদের প্রভাব রুখতে না পারলে সিরিয়া হয়ে উঠবে কাশ্মীর। এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করেছেন কাশ্মীরে নিযুক্ত কেন্দ্র সরকারের বিশেষ দূত দিনেশ্বর শর্মা। দিল্লির হয়ে উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

[আইএস জঙ্গিদের মদত প্রবীণ কংগ্রেস নেতার, অভিযোগে শোরগোল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পদ সামলানোর পরই তিনি যে কাজের মানুষ তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রাক্তন ‘ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো’ প্রধান দিনেশ্বর শর্মা। তাড়াহুড়োয় আলোচনা না চালিয়ে কাশ্মীরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আঁটঘাট বেঁধে নামতে চাইছেন তিনি। ইতিমধ্যে উপত্যকায় নিযুক্ত ভূতপূর্ব কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রিপোর্ট খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, কাশ্মীরে হিংসার অবসান ঘটাতে প্রয়োজনে একজন রিকশাচালকের সঙ্গেও কথা বলতে আপত্তি নেই তাঁর। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে বলেই মত তাঁর।

তবে সরেজমিনে পরিস্থিতি নিয়ে শর্মার বয়ানে যথেষ্ঠ উদ্বিগ্ন দিল্লি। শর্মা সাফ জানিয়েছেন, মৌলবাদ ও জেহাদের জালে জড়িয়ে পড়ছে কাশ্মীরি যুবকরা। উপত্যকায় ক্রমশই বাড়ছে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব। শীঘ্রই এর প্রভাব খর্ব করতে না পারলে সিরিয়ার মতো ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে কাশ্মীরে। কার্যপন্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তাঁর প্রধান কাজ হবে কাশ্মীরি যুবকদের বিপথে যেতে না দেওয়া। তাঁদের বোঝাতে হবে যে মৌলবাদকে সমর্থন করলে পাকিস্তান, লিবিয়া ও ইয়েমেনের মতো সন্ত্রাসে রক্তাক্ত হবে ভূস্বর্গ।

আইপিএস অফিসার শর্মা ২০০৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত গোয়েন্দা বিভাগের ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ ডেস্কের দায়িত্ব সামলেছেন। জঙ্গিদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে গোপন তথ্য বের করে নেওয়ায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ১৯৯৩-এ কুখ্যাত হিজবুল কমান্ডার এহসান দারকে পাকড়াও করার নেপথ্যে তাঁর হাত ছিল। তবে হুরিয়ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। তবে সব সংশ্লিষ্ট দলের সঙ্গেই শান্তি আলোচনার করা হবে জানিয়েছেন তিনি।

[‘হিন্দুস্তান হিন্দুদেরই, তবে সেখানে সকলেরই জায়গা আছে’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.