সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদের। বেনামি সম্পত্তি মামলায় নাম জড়িয়ে যাওয়ার এখন রীতিমতো বিপাকে তাঁর গোটা পরিবার। ইতিমধ্যেই যাদব পরিবারের এক ডজন জমি ও সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে আয়কর দপ্তর। লালুর স্ত্রী রাবড়ি, ছোট ছেলে তথা বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী, মেয়ে মিসা ও জামাই শৈলেশের সম্পত্তির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। আর এবার ইফতার পার্টিতে দলেরই এক নেতাকে হেনস্তা ও মারধরের করার অভিযোগ উঠল লালু প্রসাদের বড় ছেলে তথা বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপ যাদবের বিরুদ্ধে।
[রাজনীতির অযোগ্য ‘প্রতারক’ রজনীকান্ত, বিস্ফোরক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী]
জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই স্থানীয় একটি নিউজ চ্যানেলে বিতর্কে অংশ নেন সনোজ যাদব নামে ওই আরজেডি নেতা। অভিযোগ, সেখানে আরজেডি সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্য রাখেন তিনি। এরপরই খোদ লালুপ্রসাদের বাড়ি থেকে ফোনকে সনোজ যাদবকে সতর্কও করা দেওয়া হয়। দিন কয়েক আগে পাটনায় নিজের বাড়িতে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিলেন লালুপ্রসাদ। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন আরজেডি নেতা সনোজ যাদবও। জানা গিয়েছে, ইফতার পার্টি চলাকালীন সনোজ যাদবের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন লালুর বড় ছেলে তেজপ্রতাপ যাদব। অভিযোগ, সকলের সামনেই ওই আরজেডি নেতাকে রীতিমতো হেনস্তা করেন তিনি। এমনকী, মারধরও করা হয়।
[স্টেশনের নাম হিন্দি ভাষায় কেন? বিতর্কে বেঙ্গালুরু মেট্রো]
ঘটনার পর রীতিমতো ভেঙে পড়েন আরজেডি নেতা সনোজ যাদব। তিনি বলেন, ‘ঠিক কী ঘটল, আমি নিজেও বুঝতে পারিনি। দীর্ঘদিন ধরেই আমি লালুর হয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। যখন ও স্কুলে পড়ত, তখন থেকে তেজপ্রতাপকে চিনি। কিন্তু, যখন ইফতার পার্টিতে ওর সঙ্গে দেখা হল, তখন নিজের ঘরে থেকে বেরিয়ে আমার দিকে তেড়ে এল। বলল, আমি নাকি আরএসএসের এজেন্ট। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছে তেজপ্রতাপ।’ সনোজ যাদবের অভিযোগ, আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদকে যাদবকে ঘটনার কথা জানাবার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।