Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘লেনিন তো বিদেশি এবং আতঙ্কবাদী, ওঁর মূর্তি দেশে কেন?’

সাফ কথা বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১২:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১২:০০

options
link
‘লেনিন তো বিদেশি এবং আতঙ্কবাদী, ওঁর মূর্তি দেশে কেন?’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছে গেরুয়া শিবির। ঠিক তারপর থেকেই স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে পদ্মবাহিনী। ‘চলো পাল্টাই’ স্লোগান দিয়ে ক্ষমতার পট পরিবর্তন। কিন্তু পালটানোর নেশায় একেবারে ইতিহাস পালটে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠলেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল লেনিন মূর্তি। যদিও তা নিয়ে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর পালটা প্রশ্ন, লেনিনের মতো এক বিদেশির মূর্তি দেশের মাটিতে কেন?

বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল লেনিনের মূর্তি, ত্রিপুরা জুড়ে আক্রান্ত বামেরা ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ক্ষমতার পালাবদলে আক্রান্তের মধ্যে শুধু একা লেনিনই নেই। স্বয়ং বুদ্ধও এই অহমিকার শিকার হয়েছিলেন। তালিবানি ঔদ্ধত্যে একদা এ পৃথিবীতে ভাঙা হয়েছিল বুদ্ধদেবের ক্ষমাসুন্দর করুণাঘন রূপটিকেও। সেখানে লেনিনের মূর্তিকে যে সরে যেতে হবে তা যেন ইতিহাসের দেওয়াললিখন। এবং হলও তাই। ক্ষমতায় আসা আগে মানুষের পাশে দাঁড়িনোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা। কিন্তু লেনিন মূর্তি সরিয়ে তা কতটা সম্ভব হবে, তার যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং খোঁজ মিলছে সেই তালিবানি ঔদ্ধত্যেরই। এই অভিযোগে বামেরা সরব হয়েছেন। নিন্দার ঝড় দেশের সর্বত্র। ইতিহাস মুছে দেওয়ার এই প্রচেষ্টায় শংকিত দেশের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। কিন্তু বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর সাফ কথা, “লেনিন তো বিদেশি। তার উপর একরকম আতঙ্কবাদীই বলা যায়। তাঁর মূর্তি বরং কমিউনিস্ট পার্টির দপ্তরে রাখা উচিত। সেখানে তাঁকে পুজো করা উচিত। দেশের মাটিতে কেন?”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এদিকে সরকারে পালাবদলের পর থেকেই অশান্ত ত্রিপুরা। বামেদের অভিযোগ, তাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ নেমে আসছে। ভেঙে দেওয়া হচ্ছে পার্টি অফিস। অন্যদিকে সে অভিযোগ খারিজ করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কর্মীরা শান্ত-সংযত রয়েছে। তবে রাজনৈতিক কারণে ফের যে হিংসার শিকার হচ্ছেন ত্রিপুরার সাধারণ মানুষ, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.