সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগুনে গরমে পুড়ছে গোটা দেশ। এই দাবদাহে আইসক্রিমের চেয়ে ভালো খাবার হয় না। তার উপর যদি পাওয়া যায় বিনামূল্যে, তাহলে কথাই নেই। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) ইন্দোর জেলা প্রশাসন ভোট চলাকালীন ভোটারদের ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল ‘পুরস্কার’ দেবেন। ভোটদানে উৎসাহে দিতে এছাড়াও রয়েছে পোহা, জিলিপি, চাউমিন, মাঞ্চুরিয়ানের মতো খাবার। সব ভোটারই কী লোভনীয় ‘পুরস্কার’ পাবেন?
আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় ভোট(Lok Sabha Election 2024) রয়েছে ইন্দোরে। চাঁদিফাটা গরমে ভোটের হার কমতে পারে বলে আশঙ্কা নির্বাচন কমিশনের। ওইদিন বাংলা-সহ চার রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। সেই কারণেই সকাল সকাল ভোটদানের উৎসাহ দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় এই কেন্দ্রে ৬৯ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছে তীব্র গরমে কমতে পারে শতাংশের এই হার। সেই কারণেই ‘বিশেষ পুরস্কার’ ঘোষণ নাগরিকদের জন্য।
[আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের মধ্যেই রেলের ‘আচ্ছে দিন’! ‘সবাই পাবেন কনফার্মড টিকিট’, দাবি রেলমন্ত্রীর]
জেলাশাসক আশিস সিংহ জানিয়েছেন, সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে ভোট দিতে আসা ষাটোর্ধ্ব এবং প্রথম বারের ভোটারদের বিনামূল্যে আইসক্রিম, পোহা এবং জিলিপি খাওয়ানো হবে। ওই একই সময় ভোট দিতে আসা সাধারণ ভোটারদের চাউমিন এবং মাঞ্চুরিয়ান দেওয়া হবে। ইন্দোরের যে কোনও নামী খাবারের দোকানে গেলেই মিলবে ‘পুরস্কার’। ভোট দেওয়ার পর আঙুলের কালির দাগ দেখালেই ভোটারদের বিনামূল্যে এই খাবার দেওয়া হবে।
[আরও পড়ুন: অস্ট্রেলীয় সাংবাদিককে ভারতছাড়া করার অভিযোগ, বিতর্ক নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র?]
ভোটদানের পর হোটেল বা রেস্তরাঁয় খেতে গেলে খাবারের বিলে পাওয়া যাবে ২০ শতাংশ ছাড়। এর আগে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) এমন লোভনীয় অফারে চমকেছিল ভোটাররা। এই মর্মে মৌ সাক্ষর করেছিল উত্তরাখণ্ড নির্বাচন কমিশন এবং ওই রাজ্যের সমস্ত হোটেল এবং রেস্তরাঁ সংগঠন। উত্তরাখণ্ডের ভোটারদের মধ্যে ভোটদানে উৎসাহ বৃদ্ধি করতেই এই বিশেষ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন