Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
orona-free village

গ্রাম করোনামুক্ত হলেই মিলবে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার! সংক্রমণ কমাতে অভিনব উদ্যোগ

কোথায় হচ্ছে এমন প্রতিযোগিতা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২১, ২১:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২১, ২১:৫৮

options
link
গ্রাম করোনামুক্ত হলেই মিলবে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার! সংক্রমণ কমাতে অভিনব উদ্যোগ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় ধাক্কায় বিপর্যস্ত গোটা দেশ। শহর ছেড়ে এবার গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ছে এই মারণ ভইরাস। আগেভাগেই এ নিয়ে সর্তক করেছিল কেন্দ্র। এবার গ্রামকে করোনামুক্ত করতে অভিনব উদ্যোগ নিল মহারাষ্ট্র সরকার। এনিয়ে এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। বুধবার সরকারের তরফে সেই প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করা হয়।

কী বলছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) প্রশাসন? করোনা মুক্ত গ্রামাঞ্চল প্রতিযোগিতার মূল কথা গ্রামকে কোভিড সংক্রমণের বাইরে রাখা। অর্থাৎ কোভিডবিধি মেনে চলতে হবে গ্রামবাসীদের। যাতে ওই এলাকার কেউ সংক্রমিত না হন। সঙ্গে নিয়ম মেনে নিতে হবে করোনা টিকাও। এরকম ২২টি শর্ত রেখেছেন তাঁরা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই শর্পূরণ করতে পারলেই মিলবে মোটা অঙ্কের নগদ পুরস্কার। যা সেই গ্রামের উন্নয়নে সাহায্য করবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চার বছর পাক জেলে আটকে হায়দরাবাদের আইটি কর্মী! অবশেষে ফিরলেন দেশে]

মহারাষ্ট্র সরকার সূত্রে খবর, করের উপর ভিত্তি করে গোটা রাজ্যকে ৬টি ডিভিশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ডিভিশনের প্রথম তিন বিজেতাকে পুরস্কৃত করবে সরকার। প্রথম স্থানাধিকারী গ্রাম পাবে ৫০ লক্ষ টাকা, দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামটি পাবে ২৫ লক্ষ টাকা এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীকে দেওয়া হবে ১৮ লক্ষ টাকা। ১৮ জন পুরস্কার প্রাপকের জন্য মোট ৫ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। এখানেই শেষ নয়, বিজেতা গ্রামগুলি পুরস্কারের অর্থ ছাড়াও সমপরিমাণ নগদ দেওয়া হবে। এই টাকা ব্যবহার করা যাবে গ্রামগুলির উন্নয়নের কাজে।

হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল উদ্ধব ঠাকরের সরকার? রবিবার এক ভারচুয়াল অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জানান, সে রাজ্যের সবচেয়ে কমবয়সি পঞ্চায়েত প্রধান ঋতুরাজ এবং তাঁর অনুগামীরা দারুণ কাজ করেছেন। তাঁদের তৎপরতায় শোলাপুরের ঘাটনে গ্রাম করোনামুক্ত এলাকায় পরিণত হয়েছে। তাঁদের এই কাজকেই অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। এর পর সেই দৃষ্টান্তকে সামনে রেখে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হল।

[আরও পড়ুন: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জের, গত দু’মাসে দেশে বেকার হয়েছেন ২ কোটির বেশি মানুষ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.