Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Militant attack

সন্ত্রাসবাদী হামলায় ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, জঙ্গিদের গুলিতে মৃত ৩ বিজেপি কর্মী

তল্লাশি শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২০, ২২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২০, ২২:৩৬

options
link
সন্ত্রাসবাদী হামলায় ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর, জঙ্গিদের গুলিতে মৃত ৩ বিজেপি কর্মী zoom
প্রতীকী ছবি।

মাসুদ আহমেদ, শ্রীনগর: সন্ত্রাসবাদী হামলার জেরে ফের রক্তাক্ত হয়ে উঠল ভূস্বর্গে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাত পরিচয়ের জঙ্গিরা। নিরাপত্তারক্ষীরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালালেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলায় কুলগাম (Kulgam) এলাকার যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হুসেন ইটু (Fida Hussain itoo) এবং দুই বিজেপি কর্মী উমর হাজাম ও হারুন রশিদ বেগের উপর ওয়াই কে পোরা এলাকায় অতর্কিতে হামলা চালায় কয়েকজন জঙ্গিরা। ওই তিন জনকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কোথায় সামাজিক দূরত্ব! তেজস্বীর কপ্টার ঘিরে উপচে পড়া ভিড়, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ RJD’র ]

পরে তাঁরা রাস্তায় লুটিয়ে পড়তেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাড়াতাড়ি ওই তিন বিজেপি নেতা-কর্মীকে উদ্ধার করে কাজীগুন্দ (Qazigund) হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু, সেখানকার চিকিৎসকরা ওই তিন জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আসার আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।

এপ্রসঙ্গে কাজীগুন্দ হাসপাতালের সুপার ডা. অসীমা বলেন, ‘ওই তিন জনকে হাসপাতালে আনার পর দেখা যায় তাঁরা আগেই মারা গিয়েছেন। ফলে আমাদের কিছুই করার ছিল না।’

গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসবাদীদের বুলেটে ঝাঁজরা হয়ে গেছিল জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি ওয়াসিম বারির শরীর। বাড়ির সামনে মৃত্যু হয় তাঁর বাবা ও ভাইয়েরও। ইতিমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করেছে জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবা এবং হিজবুল মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সম্মিলিত স্থানীয় সগঠন ‘দি রেজিটেন্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front )। যদিও পুলিশের দাবি ছিল, এই হামলার মূলচক্রী পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। এই ঘটনায় ওই বিজেপি নেতার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১০ জন পুলিশকর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: ‘মানুষ জানে কাকে কখন ফেলতে হবে’, বলতেই মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন বিহারের কংগ্রেস নেতা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.